কলকাতা থেকে কখন দেখা যাবে ৩ মার্চের চন্দ্রগ্রহণ? দেখে নিন শহর অনুযায়ী সময়
মার্চ মাসের শুরুতেই চন্দ্রগ্রহণ রয়েছে।
আর কয়েক দিন পরই রয়েছে ২০২৬ চন্দ্রগ্রহণ। মার্চের প্রথম সপ্তাহে রয়েছে চন্দ্রগ্রহণ। আর সেই গ্রহণ ভারতের বেশ কিছু শহরে ওই দিনে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। প্রশ্ন রয়েছে সেই দিন কলকাতাতেও কি দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ? তথ্য বলছে, কলকাতা সহ একাধিক শহরে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। কোন কোন শহরে তা দেখা যাবে, দেখে নিন।

৩ মার্চ দুপুর ৩ টে ২১ মিনিট থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা। গ্রহণ শেষ হবে ৬ টা ৪৬ মিনিটে। ভারতে এই গ্রহণ দেখা যাবে। গ্রহণের জন্য ধর্মীয় মান্যতা মেনে অনেকেই দোল পূর্ণিমার রঙের উৎসব ৪ মার্চ খেলবেন বলে ঠিক করে রেখেছেন! পঞ্জিকা বলছে, দোল পূর্ণিমা ২ মার্চ বিকেল ৫ টা ৫৭ মিনিটে পড়বে। তিথি শেষ হবে ৩ মার্চ। এদিকে, ৩ মার্চ বিকেলেই কলকাতার আকাশ থেকেও দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। কলকাতায় সন্ধ্যা ৫ ট ৩৯ মিনিটে চন্দ্রোদয় হবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ১ ঘণ্টা ৯ মিনিট ধরে। নয়া দিল্লিতে সন্ধ্যা ৬.২৬ মিনিটে, লখনউতে সন্ধ্যা ৬.১৮ মিনিটে,ভুবনেশ্বরে সন্ধ্যা ৬ টা ০৫ মিনিটে, পাটনায় সন্ধ্যা ৬. ১২ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ। জয়পুরে দেখা যাবে সন্ধ্যা ৬ টা ২৮ মিনিটে, ভোপালে সন্ধ্যা ৬ টা ২৪ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ।
জানা যাচ্ছে, উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে ভালোভাবে দেখা যাবে গ্রহণ। বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ খুব ভালোভাবে দেখা যাবে উত্তর পূর্বের বহু শহর থেকে। গুয়াহাটিতে বিকেল ৫ টা ৪৫ মিনিট, ডিব্রুগড়ে বিকেল ৫ টা ৪০ মিনিট, ইটানগরে বিকেল ৫ টা ৩৫ মিনিট, শিলংয়ে ৫ টা ৪০ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ।
এছাড়াও মুম্বইতে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে, আমেদাবাদে ৬.৩৫, পুনেতে ৬.৩২ মিনিটে এই গ্রহণ দেখা যাবে। বেঙ্গালুরুতে সন্ধ্যা ৬ টা ২৮, হায়দরাবাদে সন্ধ্যা ৬ টা ২২ এ দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ। তিরুঅনন্তপুরমে ৬ টা ২৩ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


