Madhyamik Admit Card validity in SIR: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও বৈধ নথি নয়, এসআইআর নিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিল কমিশন!
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও বৈধ নথি নয় - স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) মধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সেই চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন।
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও বৈধ নথি নয় - স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন, তাতে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) ক্ষেত্রে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে বিচার করা হবে না। কারণ প্রাথমিকভাবে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল, তাতে বৈধ নথির তালিকায় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ছিল না। সেই পরিস্থিতিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথির তকমা দিল না কমিশন।

মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড অনেক জায়গায় বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়
এমনিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিশেষত বয়সের প্রমাণ হিসেবে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ডকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আগেও হত। এখনও হয়। কিন্তু এসআইআরের ক্ষেত্রে সেই পথে হাঁটল না কমিশন। যে কমিশন হামেশাই নিত্যনতুন নির্দেশিকা জারি করে এসআইআর নিয়ে বিভ্রান্তি আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কমিশনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ উঠেছে
অভিযোগ উঠেছে যে কমিশনের তরফে একবার একটা নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। দিনকয়েক পরেই সেটা পালটে যাচ্ছে। আবার নতুন নির্দেশিকা মেনে কাজ করতে একেবারে কম সময় দেওয়া হচ্ছে। ফলে মানুষকে হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এমনিতে এসআইআর নিয়ে একাধিকবার কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মাসের শুরুতেই তিনি দাবি করেন, আইনজীবী হিসেবে সওয়াল করবেন না। বরং দরকারে সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করবেন। শীর্ষ আদালতের সামনে তুলে ধরবেন যে এসআইআরের শুনানির নামে কীভাবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে। কীভাবে তাঁদের হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে, তাও সুপ্রিম কোর্টে জানাবেন বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, হোয়্যাটসঅ্যাপে নির্বাচন কমিশন চলছে। হোয়্যাটসঅ্যাপটা কিনে নিয়েছে কিনা, কে জানে। ডিরেকশন দেওয়ার ক্ষমতা নেই। হোয়্যাটসঅ্যাপে চলছে নির্বাচন কমিশন। দুঃখের সঙ্গে বলছি যে ভ্যানিশ করে দিচ্ছে মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে। আমি বলি, মানুষের অধিকার ভ্যানিশ হলে আপনারাও কিন্তু ভ্যানিশ হয়ে যাবেন। এটুকু মাথায় রাখবেন। সবাই নিজের নামটা দয়া করে তুলবেন। তাতে একটু কষ্ট হলে হবে। কিন্তু নিজের অধিকার রক্ষার লড়াই এটা। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াইয়ে বাঁচতে হবে।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


