Mahua Moitra Latest Update: রাতেই কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের ঘর খালি করার নির্দেশ, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ মহুয়া মৈত্রের

মহুয়া জানিয়েছেন, তিনি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে পৌঁছন। তাঁকে একটি ঘর বরাদ্দ করা হয়। রাত ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁকে ডিনার দেওয়া হয়। এরপর রাত প্রায় ১০টার সময় তাঁকে জানানো হয় যে ঘরটি খালি করে দিতে হবে।

Published on: Aug 15, 2026, 07:56:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

তৃণমূল কংগ্রেস মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করলেন, রাতের বেলা কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের ঘর খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নদিয়া জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মহুয়া মৈত্র। তাঁর দাবি, সন্ধ্যায় সার্কিট হাউসে পৌঁছে তাঁকে ঘর বরাদ্দ করা হয়েছিল। রাতের খাবারও পরিবেশন করা হয়। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পরই তাঁকে ঘর খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তৃণমূল কংগ্রেস মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করলেন, রাতের বেলা কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের ঘর খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। (PTI)
তৃণমূল কংগ্রেস মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করলেন, রাতের বেলা কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের ঘর খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। (PTI)

মহুয়া জানিয়েছেন, তিনি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে পৌঁছন। তাঁকে একটি ঘর বরাদ্দ করা হয়। রাত ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁকে ডিনার দেওয়া হয়। এরপর রাত প্রায় ১০টার সময় তাঁকে জানানো হয় যে ঘরটি খালি করে দিতে হবে।

তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ, প্রথমে মৌখিকভাবে ঘর ছাড়ার জন্য বলা হলেও কিছুক্ষণ পর তাঁকে একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশও দেওয়া হয়। বারবার ফোন এবং মেসেজ করে ঘর খালি করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি তাঁর। কিন্তু তিনি ঘর ছাড়তে অস্বীকার করেন।

মহুয়ার আরও অভিযোগ, সেই সময় সার্কিট হাউসের বাইরে বেশ কিছু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। তাঁরা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং তাঁকে আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলে স্পষ্ট করেন তৃণমূল সাংসদ।

মহুয়ার দাবি, জেলা প্রশাসনের কাছ থেকেই তাঁকে ঘর ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ডেপুটি কালেক্টরের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ওই নির্দেশে বলা হয়েছে, ১৪ অগস্ট সন্ধ্যার পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের জন্য সার্কিট হাউসটি আর ব্যবহারের উপযোগী থাকবে না।

তবে ভিডিও বার্তায় মহুয়া বলেন, তাঁকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা একটি ঘরই বরাদ্দ করা হয়েছিল। ঘর এবং বাথরুমও তিনি ভিডিওতে দেখান। তাঁর বক্তব্য, যখন ঘরটি ব্যবহার করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল এবং তাঁকে সেখানে থাকতে দেওয়া হয়েছিল, তখন রাতের বেলা হঠাৎ কেন ঘর খালি করার নির্দেশ দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মহুয়া। তাঁর দাবি, কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের তাঁর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার কথা। অথচ সেই প্রশাসনের তরফেই তাঁকে রাতের বেলা থাকার জায়গা ছেড়ে দিতে বলা হচ্ছে।

মহুয়া আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে মাটিতে নেমে কাজ করার কথা বলেছিল। তিনি সেই নির্দেশ মেনেই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। তাঁর কথায়, কোনও চাপের কাছে তিনি মাথা নত করবেন না। পরে এই ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে শুক্রবার রাতেই লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি লেখেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একদিকে তৃণমূল সাংসদের প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের তরফে ঘর খালি করার নির্দেশের কারণ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কথা বলা হয়েছে। ফলে কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের এই ঘটনাকে ঘিরে আগামী দিনে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More