Maldah SIR Protest Update: এসআইআর ঘিরে মালদায় ৮ ঘণ্টা ঘোরাও ৭ বিচারক, উদ্ধারের সময় পুলিশ কনভয়ে হামলা
কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে আটকে রাখা হয় ৭ বিচারককে। প্রায় মধ্যরাতে সেই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পরও বিচারকদের ওপর হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ।
এসআইআরে কয়েক লাখ ভোটারের নাম কাটা পড়েছে তালিকা থেকে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিচারকরা এই সব নাম বাদ দিয়েছেন তালিকা থেকে। এবার সেই বিচারকদেরই বিডিও অফিসে ঘিরে ফেলে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখা হল। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার কালিয়াচকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ এপ্রিল বিকেল ৪টে থেকে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে বহু মানুষ। সেই সময় বিডিও অফিসে ছিলেন ৭ জন বিচারক। তাঁদের মধ্যে চারজন আবার মহিলা বিচারক ছিলেন। গভীর রাত পর্যন্ত এই সব বিচারকদের বিডিও অফিসেই আটকে রাখে বিক্ষোভকারীরা। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ বারবার বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে শুনিয়েও অবরোধ প্রত্যাহার করাতে পারেনি। পরে গভীর রাতে পুলিশ সেই ৭ বিচারককে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

জানা যায়, প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে ঘেরাও ছিলেন ৭ বিচারক। প্রায় মধ্যরাতে সেই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পরও বিচারকদের ওপর হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস থেকে যখন বিচারকদের পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়, সেই কনভয়ে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ কনভয়ের গাড়ির কাচ ভঙেছে সেই হামলায়। এদিকে ইতিমধ্যেই ডিজি-র কাছে এই ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। উল্লেখ্য, বিচারাধীন নামের নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিচারকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই পরিস্থিতিতে হাইকোর্টে পর্যন্ত ফোন গিয়েছিল।
১ এপ্রিল বিক্ষোভ চলাকালীন ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল। সেখানে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভের নামে তাণ্ডব চালানো হয়। জোর করে ট্রাক আটকে দেওয়া হয়। এদিকে কালিয়াচকের ঘটনা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছেন। তিনি বলেন, 'এতক্ষণ জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে আছে। সাত জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁদের আর আসতে দেওয়া হচ্ছে না। এই সমস্ত বিষয়টি প্রমাণ করছে— তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁকে দেখাদেখি তৃণমূলের অন্য নেতৃত্বও এসআইআর নিয়ে উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেছেন। সেই উস্কানিমূলক কথাবার্তার ফলই আমরা দেখতে পাচ্ছি।' এদিকে এই ঘটনায় আবার নির্বাচন কমিশনের কোর্টে বল ঠেলেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, 'কালিয়াচকে এআসআইআরে নাম বাদ যাওয়াকে ঘিরে বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে কিছু মানুষের মধ্যে। আমরা তৃণমূলের তরফে স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই, এই ঘটনার গোটা দায়দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। পাশাপাশি আমরা এটাও বলতে চাই, তৃণমূল কিন্তু আইন হাতে তুলে নেওয়ার কোনও চেষ্টাকে সমর্থন করে না।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


