WB SIR Latest Update: ভবানীপুরে ৩ ওয়ার্ডে বিশেষ নজর মমতার! SIR-র ডেডলাইন দিল কমিশন, ভোটার তালিকা কবে?
এসআইআরের (ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) শুনানির মধ্যেই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারইমধ্যে সাতদিনের ডেডলাইন দিল নির্বাচন কমিশন। কবে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে?
নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের এসআইআর নিয়ে কোনও কারচুপি বরদাস্ত করবেন না, হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ভবানীপুরের সব বুথ লেভেল এজেন্ট (বিএলএ) এবং কাউন্সিলরদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে একেবারে কড়া ভাষায় তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না দেওয়া হয়। আর সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য তাঁর টেবিলে জোড়া তালিকা পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তথ্যগত অসংগতির কারণে যাঁদের এসআইআরের (ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) শুনানি ডাকা হয়েছে, তাঁদের নামের তালিকা দিতে হবে। সেইসঙ্গে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ পড়তে পারে, সেই তালিকাও তাঁর কাছে পাঠাতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কোন কোন ওয়ার্ডে বাড়তি নজর রাখতে হবে? নির্দেশ মমতার
তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, শুক্রবারের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বিএলএ এবং কাউন্সিলরদের চোখ-কান খুলে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় তাঁদের অত্যন্ত সতর্ক থাকতে বলেছেন। বিশেষত কলকাতা পুরনিগমের ৬৩ নম্বর এবং ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়তি নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে কোথাও কোনওরকম কারচুপি করতে না হয়। এমনকী ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইচ্ছা করে অনেকের নাম ছেঁটে ফেলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
সাতদিনের ডেডলাইন দিল কমিশন
আর মমতার সেই বৈঠকের আবহেই সাতদিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের শুনানি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বৈঠকে সেই নির্দেশ দিয়েছে। বৈঠকে হাজির ছিলেন বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত-সহ সব জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এবং ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা (ইআরও)।
১৪ ফেব্রুয়ারিই ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে
সেই বৈঠকে হাজির এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নোটিশ জারি করার এবং নথি আপলোড করার জন্য সাতদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কমিশন। আগামী রবিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে এসআইআরের নোটিশ জারি করতে হবে। আর পরবর্তী সাতদিনের মধ্যে নথি আপলোড করতে হবে কমিশনের সার্ভারে। আর যে ভোটারদের ইতিমধ্যে শুনানি হয়ে গিয়েছে, তাঁদের নথি আপলোড করতে হবে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। কমিশনের তরফে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে ওই সময়সীমা মেনে চলতেই হবে। কারণ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


