Mamata on SIR hearing: 'আমি ল'ইয়ার আছি', দরকারে এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করবেন, ঘোষণা মমতার!
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ খুললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করলেন, প্রয়োজন পড়লে এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল করবেন।
প্রয়োজন পড়লে এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল করবেন। গঙ্গাসাগর মেলার আবহে সেই ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, আইনজীবী হিসেবে সওয়াল করবেন না। বরং দরকারে সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করবেন। শীর্ষ আদালতের সামনে তুলে ধরবেন যে এসআইআরের শুনানির নামে কীভাবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে। কীভাবে তাঁদের হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে, তাও সুপ্রিম কোর্টে জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

AI দিয়ে নাম কাটাচ্ছে, তোপ মুখ্যমন্ত্রীর
সোমবার গঙ্গাসাগর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরে এসআইআরের শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, 'একজন খুনি যদি ল'ইয়ার নাও পায়, তবুও সে নিজেকে ডিফেন্ড করতে পারে। আর ওখানে এআইকে দিয়ে কাটিয়ে দিয়েছে। এআই দেখে ঠিক করছে, পদবিটা কার পালটে গিয়েছে, কার বিয়ে হয়েছে, কোন মেয়েটা শ্বশুরবাড়ি গিয়েছে। এআই দিয়ে বাদ দিয়েছে।'
ভ্যানিশ হয়ে যাবেন….হুংকার মুখ্যমন্ত্রীর
তিনি আরও বলেন, হোয়্যাটসঅ্যাপে নির্বাচন কমিশন চলছে। হোয়্যাটসঅ্যাপটা কিনে নিয়েছে কিনা, কে জানে। ডিরেকশন দেওয়ার ক্ষমতা নেই। হোয়্যাটসঅ্যাপে চলছে নির্বাচন কমিশন। দুঃখের সঙ্গে বলছি যে ভ্যানিশ করে দিচ্ছে মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে। আমি বলি, মানুষের অধিকার ভ্যানিশ হলে আপনারাও কিন্তু ভ্যানিশ হয়ে যাবেন। এটুকু মাথায় রাখবেন। সবাই নিজের নামটা দয়া করে তুলবেন। তাতে একটু কষ্ট হলে হবে। কিন্তু নিজের অধিকার রক্ষার লড়াই এটা। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াইয়ে বাঁচতে হবে।'
'আমি ল'ইয়ার আছি', বললেন মমতা
সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমরাও আইনের সাহায্য নিচ্ছি। আগামিকাল কোর্ট খুলবে। আমরাও আইনের পথে যাব। এত মানুষের মৃত্যু, এত মানুষকে যেভাবে হেনস্থা করেছে, তার বিরুদ্ধে (আইনের পথে হাঁটব)। প্রয়োজন পড়লে আমি নিজেও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে মানুষের পক্ষে আর্জি জানাব। আমি মানুষের হয়ে কথা বলব। আমি ল'ইয়ার হিসেবে যাব না। আমি ল'ইয়ার আছি। আমি আমি ল'ইয়ার হিসেবে যাব না। আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে মানুষে কথা বলতেই পারি। আমি আমার কথা বলার পারমিশন নেব। আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করব যে তৃণমূল স্তরে কী চলছে। ময়দানে কী চলছে। কীভাবে মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


