২০২১ সালে নন্দীগ্রামে পরাজয়ের পর ভবানীপুর থেকেই রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কেন্দ্রকেই ‘ঘরের মেয়ে’র আসন হিসেবে তুলে ধরেছিল তৃণমূল। কিন্তু ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেই ভবানীপুরেই বড় ধাক্কা খান তৃণমূল নেত্রী। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি।
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা (Handout)
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ২৬৭টি বুথ রয়েছে। তার মধ্যে একাধিক বুথে ৫০টিরও কম ভোট পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৪৯ নম্বর বুথে তিনি পেয়েছেন ৪৪ ভোট, ১৫৮ নম্বর বুথে ৪৬ এবং ১৭৬ নম্বর বুথে মাত্র ২৯ ভোট। এছাড়া ২৬৩ নম্বর বুথে ৩০, ২৪৯ নম্বর বুথে ২৮ এবং ২৪২ নম্বর বুথে ৪০ ভোট পেয়েছেন তিনি। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে, ২২৭ নম্বর বুথে তাঁর প্রাপ্ত ভোট মাত্র ১২। ১৬, ২০ এবং ২৪ নম্বর বুথেও ৫০-এর নিচে ভোট পেয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ২৮টি বুথে ৫০-এর কম ভোট পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, ভবানীপুরের ২০৮টি বুথে লিড নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তৃণমূল নেত্রী এগিয়ে ছিলেন মাত্র ৬০টি বুথে। দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। তাই এই ফলাফলকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
২০২১ সালের ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৮৫ হাজার ভোট পেয়েছিলেন এবং বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে ৫৮ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের ফল পুরোপুরি উল্টে গিয়েছে। প্রচারের শুরু থেকেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, ভবানীপুরে তিনি জয়ী হবেন এবং শেষ পর্যন্ত সেই দাবিই সত্যি হয়েছে। ফল ঘোষণার পর ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁদের ঋণ শোধ করার কথাও বলেছেন বিজেপি নেতা।
২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা:
ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More