Mamata's warning to DM amid SIR: ৩-৪ জন BJP সরকারের হয়ে কাজ করছেন! SIR মামলায় ‘জিতেই’ জেলাশাসকদের ‘ওয়ার্নিং’ মমতার
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) জেলাশাসকদের কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠক ডাকেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। মুখ্যমন্ত্রী আচমকা বৈঠকে আসার আগে সব জেলাশাসকের ফোন বাইরে রাখতে হয়।
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে 'জয়' মিলতেই জেলাশাসকদের বৈঠকে 'সারপ্রাইজ ভিজিট' মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর ডাকা জেলাশাসকদের (যাঁরা জেলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বটে) সেই বৈঠকে হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রী চলে আসেন। মেরেকেটে ১৫ মিনিটেই ‘ঝাঁকুনি’ দেন। তিনি দাবি করেন যে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের হয়ে কাজ করছেন তিন-চারজন জেলাশাসক। তাঁরা আদতে যে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন, সেটাও স্মরণ করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি নির্দেশ দেন যে জেলাশাসকদের কঠোরভাবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। তথ্যগত অসংগতি বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য যাতে কাউকে হেনস্থার মুখে পড়তে না হয়, সেই বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এসআইআরের সময়সীমা পিছিয়ে যাচ্ছে?
আর সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে মুখ্যমন্ত্রী যখন জেলাশাসকদের উপরে সেই ‘চাপ’ বজায় রাখলেন, তখন এসআইআরের দিনক্ষণ বৃদ্ধির বিষয়ে কমিশন ভাবনাচিন্তা করছে বলে সূত্রের খবর। কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, এসআইআরের শুনানি-পর্ব শেষ হওয়ার কথা আছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ১০ দিন বাড়ানো হতে পারে শুনানির মেয়াদ। আর শুনানির সময়সীমা বাড়ানো হলে স্বভাবতই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতেও দেরি হবে। আপাতত আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার কথা আছে। সেটা যে পিছিয়ে যাবে, তা একপ্রকার নিশ্চিত বলে একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ভোটার তালিকা প্রকাশের লক্ষ্য কমিশনের
যদি সেটাই হয়, তাহলে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার বিষয়টিও পিছিয়ে যাবে। ২০২১ সালে ফেব্রুয়ারির শেষলগ্নে বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল। এবারও সেরকমই করা হবে বলে ইঙ্গিত মিলছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে কমিশন ধাক্কা খেতেই ছবিটা পালটে গিয়েছে। সূত্রের খবর, কিছুটা দেরি হলেও ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে চাইছে কমিশন, যাতে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে বেশি দেরি না হয়।
এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়ের একাংশ
১) তথ্যগত অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকা প্রকাশ করতেই হবে। শহরের ওয়ার্ড অফিসে এবং গ্রামাঞ্চলে পঞ্চায়েত ভবন ও ব্লক অফিসে সেই তালিকা দেখাতে হবে কমিশনকে।
২) তালিকা প্রকাশের পরে ১০ দিন দিতে হবে। যাঁরা নথি দেননি বা আপত্তি জানাতে পারেননি, তাঁদের স্বার্থে সেই সময় দিতে হবে কমিশনকে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


