MD Salim: 'আজাদি চলবে না...,' ব্রিটিশদের সঙ্গে তুলনা টেনে বিজেপিকে নিশানা সেলিমের
MD Salim: যাদবপুরের আনন্দপল্লিতে সিপিএমের পার্টি অফিসে হামলা, শহিদ বেদি ভাঙচুরের ঘটনায় এদিন কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মহম্মদ সেলিম।
MD Salim: 'ইংরেজরা বলত স্বাধীনতা বলবে না, বিজেপি বলে আজাদি চলবে না।' রবিবার ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআই (DYFI)-এর ‘ইনকিলাব’ সমাবেশ থেকে ব্রিটিশদের সঙ্গে রাজ্যের শাসকদল তুলনা টেনে একহাত নিলেন সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।

‘কীসের আজাদি? গাঁজা খাওয়ার আজাদি? ক্ষুদিরাম বসুরা আগেই আজাদি দিয়েছেন’ বামেদের এই ভাষাতেই কটাক্ষ করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ বললেই গ্রেফতার করতে হবে। এবার এই ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানালেন সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক। রবিবার ধর্মতলার মঞ্চ থেকে মহম্মদ সেলিম বলেন, 'যে সমস্ত বীররা ফাঁসির মঞ্চে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন তাঁরা এই স্বাধীনতা চেয়েছিল। সেই স্বাধীনতাকেই হিন্দি-উর্দু-হিন্দুস্থানিতে আজাদি বলে। ওরা আজাদি শব্দ শুনলেই প্রশ্ন করে বলে কেন আজাদি বলে। কবে সেই ইংরেজের নুন খেয়েছে। এখন তার গুণ গাইছে। আরে ইংরেজ বলত স্বাধীনতা বলবে না। এখন শুভেন্দু অধিকারীরা মনে করে আজাদি বলবে না।'
যাদবপুরের আনন্দপল্লিতে সিপিএমের পার্টি অফিসে হামলা, শহিদ বেদি ভাঙচুরের ঘটনায় এদিন কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, 'এই কলকাতার বুকেই গ্রামফোন কোম্পানি ছিল, এইচ এম ভি রেকর্ডস, হিস মাস্ট্রার্স ভয়েস। শমীক ভট্টাচার্য যেকথা বলছেন, এটা এইচ এম ভি। হিস মাস্ট্রার্স ভয়েস, নিজের ভয়েস না। প্রতিদিন আরএসএস, বজরং দল হাজারটা নাম নিয়ে নষ্টামি-গুণ্ডামী করছে। শুধু যাদবুপুরে নয়, তার আগের দিন সোনারপুরে করেছে। বারুইপুরে করেছে। গড়বেতায় করেছে। ..আইনের শাসন বলবৎ করতে হবে। ভোটের সময় বলা হয়েছে, আইনের শাসন ফিরিয়ে আনব। সেখানে মানুষের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা-এটাকে গ্যারান্টি করতে হবে। এটা আমাদের দাবি।'
অন্যদিকে, মহম্মদ সেলিমকে নিশানা করে পাল্টা বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, 'ওঁর বদ হজম হয়েছে। বয়স হলে এমন হয়। ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খেলে সেরে যাবে। ওঁর শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার কামনা করি। আর আমাদের এই সব বলে বামেরা প্রাসঙ্গিক হতে চাইছে। ওর গৃহীত, পরীক্ষিত এবং পরিত্যক্ত। এখন মহাশূন্যে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। তাই এইসব বলে লাভ কী?'
E-Paper

