SIR: 'পাস করিয়ে দিন!' চোখ রাঙাচ্ছেন পঞ্চায়েত প্রধান, চিঠি মাইক্রোঅবসার্ভাদের
বেশ কিছু মাইক্রো অবজার্ভাররা চিঠি লিখেছেন রোল অবজার্ভারদের কাছে।
‘এত চেকিং কীসের? পাস করিয়ে দিন।’ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও মাইক্রোঅবসার্ভারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল জেলার পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বিডিও অফিসে ডেকে নিয়ে গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন পঞ্চায়েত প্রধান শাহজাহান মোল্লা। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে।

সূত্রের খবর, এখানেই শেষ নয়, বারুইপুরের এসডিও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজেও একই ধরনের বার্তা দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তিনি লিখেছেন, এলডি কেস নিয়ে বেশি নজরদারি না করে পাস করিয়ে দেওয়া উচিত। ভাঙড়ের বিডিও বাদ যাননি। অভিযোগ, বৈঠক ডেকে হুমকি দিচ্ছেন মাইক্রো অবজার্ভারদের। রিভিউ কেস হলে এমও-দের পরে দেখে নেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে ভাঙড়ে। ইতিমধ্যে অভিযোগ খতিয়ে দেখছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বেশ কিছু মাইক্রো অবজার্ভাররা চিঠি লিখেছেন রোল অবজার্ভারদের কাছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যে যে অসঙ্গতির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, ঠিক সেগুলোই উল্লেখ করেছেন শাহজাহান। প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে জানলেন তিনি? মাইক্রো অবজার্ভারদের চিঠি পেয়ে খতিয়ে দেখছে সিইও অফিস। পঞ্চায়েত প্রধান শাহজাহান মোল্লার এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সুপ্রিম কোর্টে এই ইস্যুতে সওয়াল করে এসেছেন। অন্য রাজ্যে না হলেও, পশ্চিমবঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক মাইক্রো অবজারভার কেন নিয়োগ করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আর এবার সেই মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা নিয়েই বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, ‘কমিশনের আইনজীবী ইআরও-র ক্ষেত্রে ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁরা কমপিটেন্ট অফিসার দিলে এই সমস্যা থাকবে না।’ মাইক্রো অবজারভারদের যে অতি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, সেই প্রসঙ্গে কিছু স্ক্রিনশট তুলে ধরছেন তিনি। একটা এক্সট্রা ইলেকশন অথরিটি তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন। মাইক্রো অবজারভারদের এক্সট্রা লিগাল রোল কীভাবে কার্যকর হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান।। তাঁর অভিযোগ, ইআরও, এইআরও কোনও ব্যক্তিকে ওকে করে দিলেও মাইক্রো অবজারভাররা করছে না। তবে কমিশনের দাবি, এসব কথা ভিত্তিহীন। ইআরও-রাই সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেবেন।
E-Paper











