Nandigram Candidate:‘অন্তর্বর্তী জামিন দিচ্ছি,' নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন-মামলায় বলল কোর্ট !এর আগে স্ত্রী বলেন…
এদিকে, মিলনের জামিনের আবেদনের মামলায় বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের মন্তব্য, ‘মিলন প্রধানকে নির্বাচনে লড়তে দিন।'
নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে ‘অন্তর্বর্তী জামিন দিচ্ছি' বলে জানায় হাইকোর্ট। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন। তার আগে, এই ঘটনা নিঃসন্দেহে বিরোধী শিবিরের জন্য বড় স্বস্তি। এদিকে, মিলন প্রধানের জামিনের আগে, তাঁর স্ত্রী অর্পিতা প্রধান এক সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, স্বামী জেলবন্দি থাকায় তিনিই নামবেন প্রচারে। এছাড়াও পাশে থাকার জন্য মমতা, রাহুলকে তিনি ধন্যবাদ জানান। যদিও এরপরই আসে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিনের সম্পর্কিত ওই খবর।

এদিকে, মিলনের জামিনের আবেদনের মামলায় বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের মন্তব্য, ‘মিলন প্রধানকে নির্বাচনে লড়তে দিন।' কোর্টের বিচারপতি বলেন, ‘আমি অন্তর্বর্তী জামিন দিচ্ছি। তিনি নির্বাচনে অংশ নিন। বাকিটা মামলার ভাগ্যের উপর নির্ভর করবে।' জামিন চেয়ে বুধবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন মিলন। এদিন শুনানিতে দুই পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর জামিনের মামলা দায়েরের অনুমতি দেন বিচারপতি ঘোষ। তিনি বৃহস্পতিবার জানান, আসন্ন উপনির্বাচনে মিলনকে লড়াই করতে দেওয়া হোক। এরপরই মিলন পান অন্তর্বর্তী জামিন।
এদিকে, মিলনকে ঘিরে যখন মামলার শুনানি চলছে, তখন তাঁর স্ত্রী অর্পিতা এক ভিডিয়ো বার্তায় বলেছিলেন, ‘আমার স্বামী জেলবন্দি। তাই নন্দীগ্রামের প্রচারে আমাকেই নামতে হচ্ছে। আগামিকাল, ২৫ সেপ্টেম্বর আমি ওখানে যাব। নন্দীগ্রাম বাজার থেকে প্রচার শুরু করব।' এক সংবাদিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে অর্পিতা বলেন, ‘এটা কংগ্রেস বা বিরোধীদের লড়াই নয়। এটা গোটা নন্দীগ্রামবাসীর লড়াই। তাই আশা করি, আপনারা সকলে আমার পাশে থাকবেন।' আবেগঘন কণ্ঠে অর্পিতা বলেন, ‘এত পুরনো মামলায় এই ভোটের আগেই আমার স্বামীকে কেন জেলে ঢোকানো হল? একই মামলায় তো শুভেন্দু অধিকারীও ছিলেন, তিনি কেন বাইরে? আসলে আমরা বিরোধী বলেই এমনটা করা হয়েছে। উনি (মিলন প্রধান) ছাত্রজীবন থেকে কংগ্রেসি রাজনীতি করেন। কখনও কোনও টাকার লোভে অন্যায় করেননি।' মিলনের স্ত্রী বলেন, ‘ওঁর সহকর্মীদের অনেকে টাকা নিয়ে এ-দল, ও-দল করেছেন। উনি নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাসে অটল। নন্দীগ্রামে গেলে ছোট থেকে বড়, সকলে মিলনকে ঘিরে ধরে।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


