West Bengal Monsoon: চিহ্নিত ৩০০ ব্ল্যাক স্পট! বর্ষায় জলযন্ত্রণা রুখতে তৎপর নগরোন্নয়ন দফতর, পরিদর্শনে মন্ত্রী

West Bengal Monsoon: বিধাননগরে, নগরোন্নয়ন দফতরের সঙ্গে বৈঠক থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রতিটি পুরসভাকে নির্দিষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার।

Published on: May 25, 2026, 21:17:50 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

West Bengal Monsoon: দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে বর্ষা। জুনেই রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে বলে পূর্বাভাস মিলেছে। এই আবহে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন শহর এবং শহরতলির মানুষের ফের জল জমার সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ৮ জুন সময়সীমা ধরে মাঠে নেমেছে রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর।

বর্ষায় জলযন্ত্রণা রুখতে তৎপর নগরোন্নয়ন দফতর (Shyamal Maitra)
বর্ষায় জলযন্ত্রণা রুখতে তৎপর নগরোন্নয়ন দফতর (Shyamal Maitra)

গত শুক্রবার সেচ ও পূর্ত দফতর এবং রাজ্যের প্রতিটি পুরসভার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চান, এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, জল জমে সমস্যা সৃষ্টি করে এমন ব্ল্যাক স্পটগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার মধ্যে ২২টি স্পট কলকাতা পুর এলাকায় এবং গোটা রাজ্যে শ-তিনেক। এখনই বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে। গত বছরের মতো, অতিভারী বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত পাম্প প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবারও। এই ‘ব্ল্যাক স্পট’গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-বিধাননগরের চিংড়িঘাটা, বাগজোলা খালের বিভিন্ন অংশ, ধাপার পেছনের চৌভাগা পাম্পিং স্টেশন এলাকা, চরিয়াল খাল সংলগ্ন অঞ্চল, মানিকখালি, হাওড়া, কেষ্টপুর এবং বেগড় খাল এলাকা।

বিধাননগরে, নগরোন্নয়ন দফতরের সঙ্গে বৈঠক থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রতিটি পুরসভাকে নির্দিষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার। আবার ৩০০টি ব্ল্যাক স্পটের সমস্যা দূর করতে দফতরের পদস্থ কর্তাদের নিয়ে একাধিক দল তৈরি করা হচ্ছে। তাঁরা এই সমস্ত এলাকায় সশরীরে পৌঁছে যাবেন এবং জল জমার সমস্যা রুখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করবেন। বেশ কিছু এলাকায় পরিদর্শনে যাবেন পুরমন্ত্রী নিজেই। মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে তাঁদের হাতে ৬৭টি পাম্প আছে। আরও বেশি সংখ্যক পাম্প তৈরি রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুর পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের আগামী দু-মাস ছুটি না নেওয়ারও আরজি জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী। বেশ কয়েকটি খালের সংস্কারের কাজ এখনও চলছে। তবে খালধারের দখলদারির সমস্যা মেটাতেও আগামীতে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

আগামী ১ থেকে ৭ জুন পর্যন্ত জল নিকাশির জন্য সরেজমিনে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। দফতরের কর্তাদের নিয়ে বৈঠকের পরে অগ্নিমিত্রা পাল জানান, রাজ্যে বর্ষা আসার ১৮ থেকে ২০ দিন সময় রয়েছে, তার মধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। বর্ষার সময়ে আরও বড় দু’টি সমস্যা হলো ডেঙ্গি এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা। মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে ডেঙ্গি নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎষ্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা বন্ধ করার জন্যে কলকাতা পুরসভা, কেএমডিএ-সহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়ে পৃথক পৃথক বৈঠক করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। কোন এলাকায় কী কারণে জল জমছে, কোথায় নিকাশি ব্যবস্থার সমস্যা রয়েছে, সে ব্যাপারে জায়গা বিশেষে পৃথক ভাবে পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।