Baruipur Case: 'আমাদের বাচ্চা যেভাবে...,' দুঃস্বপ্ন স্মরণ করে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি বারুইপুরের নির্যাতিতার মা'য়ের

Baruipur Case: রবিবার দুপুরে পুকুর থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার নিথর দেহ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মিলেছে যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন। গোটা শরীর জুড়ে অত্যাচার আর আঘাতের ক্ষত। মেয়েকে যেভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, ঠিক সেভাবেই যেন অভিযুক্তদের শাস্তি হয়, এটাই দাবি করছেন নির্যাতিতার মা।

Published on: Jul 6, 2026, 19:25:23 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Baruipur Case: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকা মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যজুড়ে শোরগোল। পুকুর থেকে নিথর দেহ উদ্ধারের পর থেকেই উত্তপ্ত এলাকা। গত শনিবার থেকে কিশোরীর কোনও খোঁজ ছিল না। চেনা-পরিচিত লোকজনের বাড়িতে চলছিল খোঁজ। কিন্তু মেয়েকে যখন পাওয়া যাবে, তখন যে তার শরীরে প্রাণ থাকবে না, সেটা বোধহয় দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি নাবালিকার মা।

অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি বারুইপুরের নির্যাতিতার মা'য়ের (PTI)
অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি বারুইপুরের নির্যাতিতার মা'য়ের (PTI)

রবিবার দুপুরে পুকুর থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার নিথর দেহ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মিলেছে যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন। গোটা শরীর জুড়ে অত্যাচার আর আঘাতের ক্ষত। মেয়েকে যেভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, ঠিক সেভাবেই যেন অভিযুক্তদের শাস্তি হয়, এটাই দাবি করছেন নির্যাতিতার মা। নাবালিকার মা বলেন, 'আমরা চাইছি, আমাদের বাচ্চা যেভাবে কষ্ট পেয়ে পেয়ে মরেছে। শয়তানগুলোও যেন সেরকমই কষ্ট পায়। আর খুব তাড়াতাড়ি যেন শাস্তি পায়।' তিনি আরও বলেন, 'এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। দেখিনি তো কোনওদিন বিচার পেতে। তখন পুরনো সরকার ছিল। এবার নতুন সরকার এসেছে। বিচারটা যেন পাই।'

সিসিটিভি ফুটেজে কী দেখা গিয়েছে, সেই বর্ণনাও দিয়েছেন তিনি। নির্যাতিতার মা বলেন, 'দেখেছি, মেয়েকে ওরা হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছিল। বাচ্চার হাতে খাবার ছিল। প্লাস্টিকে কী ছিল, বুঝতে পারিনি। ওরাই কিনে দিয়েছিল। হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছিল, এটুকুই দেখা গিয়েছে।' বারুইপুরের ঘটনায়, প্রাথমিক যে রিপোর্ট সামনে এসেছে, তাতে উল্লেখ রয়েছে, নাবালিকার মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল, মাথায় রয়েছে গভীর ক্ষত। গলায় ও ঘাড়েও রয়েছে একাধিক ক্ষত। শরীরের বিভিন্ন অংশে মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষত মিলেছে বলেও সূত্রের খবর। এছাড়া রিপোর্ট বলছে, নাবালিকার ফুসফুসে ঢুকেছিল জল।

উল্লেখ্য, বারুইপুরে অশান্তির সূত্রপাত রবিবার সকাল থেকে। পুকুর থেকে নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ধপধপি এলাকা। নাবালিকাকে ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগে সরব স্থানীয় বাসিন্দারা মৃতদেহ রাস্তায় রেখে অববোধ করেন, চলে রেল অবরোধও। ঘটনার খবর কানে পৌঁছতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কথা বলেন নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে। দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেন। মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর নির্দেশে বিকেলের মধ্যেই ৬ সদস্যের সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হয়। সিটের নেতৃত্বে বারুইপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত এসপি পিনাকী দত্ত। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।