Mukul Roy Passed Away: প্রয়াত মুকুল রায়, একদা TMC-র সেকেন্ড ইন কমান্ড থেকে MLA হিসাবে শেষ করলেন যাত্রা
আজ ভোররাত দেড়টায় সময় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মুকুল রায়। প্রয়াণকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে দলের সংগঠন গড়ে তোলার নেপথ্যে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। অবশ্য রাজনীতিতে তাঁর পদার্পণ কংগ্রেসের হাত ধরে। পরে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে দলবদল করে শেষে ফের তৃণমূলে ফিরেছিলেন তিনি।
প্রয়াত মুকুল রায়। বঙ্গ রাজনীতির 'চাণক্য' হিসেবে পরিচিত মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভুগছিলেন। আজ ভোররাত দেড়টায় সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রয়াণকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে দলের সংগঠন গড়ে তোলার নেপথ্যে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। অবশ্য রাজনীতিতে তাঁর পদার্পণ কংগ্রেসের হাত ধরে। পরে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে দলবদল করে শেষে ফের তৃণমূলে ফিরেছিলেন তিনি। দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত ছিলেন মুকুল রায়। পরে বিজেপিতে গিয়ে তৃণমূলের অনেক তাবড় নেতাকে ভাঙিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর বেশ অবদান ছিল।

নিজের রাজনৈতিক জীবনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকেছেন। হয়েছেন রাজ্যসভার সদস্য থেকে বিধায়ক। ১৯৫৪ সালে স্বাধীন ভারতের কাঁচরাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন মুকুল রায়। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে যুব কংগ্রেসে ছিলেন মুকুল রায়। সেখান থেকেই মমতার ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এরপর ১৯৯৮ সালে তৃণমূলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পরে অবশ্য নারদ এবং সারদা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় তাঁর। দূরত্ব বাড়ে মমতার সঙ্গে। তার আগে পর্যন্ত মমতা তাঁরে ভাইফোঁটা দিতেন। তবে ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগদান করেন মুকুল রায়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিধানসভা নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এটাই ছিল তাঁর প্রথম নির্বাচনে জয়। তবে বিধায়ক হওয়ার পরে তৃণমূলে ফিরে এসেছিলেন তিনি। যদিও সেভাবে আর রাজনীতিতে সক্রিয় হতে দেখা যায়নি তাঁকে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি ছিলেন পর্দার আড়ালেই।
মুকুল রায় ২০১২ সালের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন। তার আগে তিনি দ্বিতীয় ইউপিএ মন্ত্রীসভায় তিনি জাহাজ প্রতিমন্ত্রীও হয়েছিলেন। ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। বিজেপিতে যোগদানের পরে তিনি দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি পদে ছিলেন। ২০০১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মুকুল রায় জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী হরিপদ বিশ্বাসের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। বিজেপিতে যোগদানের পরে ২০২১ সালে তিনি কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যানও করা হয়েছিল। তবে দলবদলের জেরে মুকুল রায়ের বিধাকপদ খারিজ করে দেয় উচ্চ আদালত। পরে সেই সিদ্ধান্তের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায় পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি জানান, গভীর রাতে তাঁর বাবা প্রয়াত হন। তখনও মুকুল রায়ের মৃত্যুর বিষয়ে তিনি কাউকে জানাতে পারেননি।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


