Municipal elections: ওয়ার্ডের সংখ্যা হবে ৬০! পুজোর পরেই হাওড়া পুরভোটের প্রস্তুতি, কলকাতায় কবে?
Municipal elections: মন্ত্রী বলেন, কলকাতা ও হাওড়া-দুই পুরসভাতেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। হাওড়া পুরসভায় বর্তমান ৫০টি ওয়ার্ড বাড়িয়ে ৬০টি করার প্রস্তাব রয়েছে। প্রশাসনের যুক্তি, গত কয়েক বছরে জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
Municipal elections: প্রায় আট বছর ধরে পুরভোট হয়নি হাওড়ায়। দুর্গাপুজোর পরেই তাই হাওড়া পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার ভোটও সম্পন্ন করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা হওড়া উত্তরের বিধায়ক উমেশ রাই জানান, নির্বাচনের প্রস্তুতির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, আগামী নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, হাওড়ার পুর এলাকাকে ৬০টি ওয়ার্ডে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, কলকাতা ও হাওড়া-দুই পুরসভাতেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। হাওড়া পুরসভায় বর্তমান ৫০টি ওয়ার্ড বাড়িয়ে ৬০টি করার প্রস্তাব রয়েছে। প্রশাসনের যুক্তি, গত কয়েক বছরে জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আর এই জনবিন্যাকস বাড়ার জন্য ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ৫ ডিসেম্বরের আগেই সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘দুই পুরসভার অধীনে থাকা এলাকার সীমানা পুনর্মূল্যায়নের কাজ শুরু হচ্ছে। হাওড়া পুরসভার অধীনে থাকা এলাকার সীমানা পুনর্মূল্যায়ন বা ডিলিমিটেশনের মাধ্যমে ৬০টি ওয়ার্ডে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর তা শেষ হলেই নভেম্বরের শেষেই নির্বাচন হওয়ার কথা কলকাতা এবং হাওড়াতে।’ তিনি জানান, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই নতুন বোর্ড গঠন হয়ে যাবে। শুধু এই দুই পুরসভা নয়, রাজ্যের আরও কয়েকটি পুরসভাতেও ভোট হতে পারে নভেম্বরের শেষে।
হাওড়ার নির্বাচন নিয়ে বলতে গিয়ে উমেশ রাই বলেন, ‘তৃণমূল রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে হাওড়া পুরসভা এলাকাকে ভাগ করেছিল। জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই সিদ্ধান্ত হয়েছে এই পুরসভার এলাকাকে ৬০টি ওয়ার্ডে ভাগ করা হবে। সমীক্ষা চালিয়ে উন্নত পুর পরিষেবার জন্য কতগুলি ওয়ার্ড প্রয়োজন, তা দেখা হয়েছে। তার উপর ভিত্তি করেই এই সিদ্ধান্ত।’ একইসঙ্গে কলকাতা পুরসভার ডিলিমিটেশনের কাজও দ্রুত শুরু হবে বলে তিনি জানান। উল্লেখ্য, শেষবার হাওড়া পুরসভার নির্বাচন হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৮ সালে সেই নির্বাচিত পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। গত আট বছর ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়াই প্রশাসকের মাধ্যমে পুরসভা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে নাগরিক পরিষেবা, রাস্তা-ঘাট ও পরিকাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ রয়েছে। পরিষেবার মান উন্নত করতে নতুন সরকার জেলাশাসক পি. দীপাপ্রিয়াকে হাওড়া পুরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়েছে। পাশাপাশি, শহরবাসীকে আরও উন্নত পরিষেবা দিতে স্থানীয় বিধায়কদের নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিতে রয়েছেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক ও মন্ত্রী উমেশ রাই, শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ এবং বালির বিধায়ক সঞ্জয় সিং।
E-Paper

