রাজ্যজুড়ে ‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ পালনের উদ্যোগ! জেলাশাসকদের কাছে নির্দেশিকা নবান্নের

Partition Horror Remembrance Day: নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশভাগের চরম যন্ত্রণাদায়ক দিনগুলি এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর আত্মত্যাগের স্মৃতিকে জীবিত রাখতে জেলা প্রশাসনকে উপযুক্ত অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির আয়োজন করতে হবে।

Published on: Aug 9, 2026, 22:00:45 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Partition Horror Remembrance Day: দেশভাগের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য মানুষের যন্ত্রণা, আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইকে স্মরণ করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ১৩ ও ১৪ অগাস্ট (শুক্রবার) রাজ্যজুড়ে ‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ (Partition Horror Remembrance Day) পালনের সিদ্ধান্তে নবান্ন (Nabanna) থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের চিঠির ওপর ভিত্তি করে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ের সচিব ড. সৌমিত্র মোহন (IAS) এই বিষয়ে রাজ্য জুড়ে সমস্ত জেলার জেলা শাসকদের (DM) প্রতি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন।

রাজ্যজুড়ে ‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ পালনের উদ্যোগ! (সৌজন্যে টুইটার)
রাজ্যজুড়ে ‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ পালনের উদ্যোগ! (সৌজন্যে টুইটার)

‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নবান্নের

নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশভাগের চরম যন্ত্রণাদায়ক দিনগুলি এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর আত্মত্যাগের স্মৃতিকে জীবিত রাখতে জেলা প্রশাসনকে উপযুক্ত অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির আয়োজন করতে হবে। স্থানীয় স্টেকহোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি দফতরগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রতিটি জেলায় মূলত তিনটি প্রধান কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১৪ অগাস্ট সন্ধ্যায় জেলা সদরের উপযুক্ত স্থানে একটি মোমবাতি মিছিল বা ‘ক্যান্ডেল মার্চ’ আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, মিছিলে সরকারি আধিকারিক, পড়ুয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষকে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া আগামী ১৩ ও ১৪ অগাস্ট দেশভাগের ইতিহাস, মানবিক প্রভাব, মানুষের লড়াই এবং তৎকালীন ছবি-নথি নিয়ে প্রদর্শনী আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল পড়ুয়াদের ওই প্রদর্শনীতে নিয়ে গিয়ে দেশভাগের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করার কথাও বলা হয়েছে সরকারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায়। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের দেওয়া তথ্যচিত্র বা ডকুমেন্টারি ফিল্ম প্রদর্শনেরও ব্যবস্থা করতে হবে জেলাগুলিকে। শুধুমাত্র এই কর্মসূচি আয়োজনের জন্যই প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে ৩০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। জেলা শাসকদের নিজস্ব এলাকা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলির সঙ্গে আলোচনা করে এই সমস্ত আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশভাগের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং সেই সময়ের মানুষের সংগ্রামকে জনমানসে আরও গভীরভাবে পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। রাজ্যজুড়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানগুলির মাধ্যমে ইতিহাসের সেই বেদনাদায়ক অধ্যায় নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে চাইছে প্রশাসন।