Narendra Modi: 'ঝালমুড়ি খেলাম আমি, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের', মমতাকে খোঁচা মোদীর
আজ বাংলার মহিলাদের জন্য ১০টি প্রতিশ্রুতি দেন মোদী। গর্ভবতী মহিলাদের সহায়তা থেকে শুরু করে বিনামূল্যে চিকিৎসা, পুলিশে মহিলাদের নিয়োগ, মহিলা থানা নিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন মোদী।
বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছিলেন, সেই মুড়ি বিক্রেতা নাকি এসপিজি জওয়ান। আর আজ বাংলার কৃষ্ণনগরে প্রচার করতে এসে মমতাকে এই ইস্যুতে খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বললেন, 'আমি ঝালমুড়ি খাওয়ায় নাকি অনেকে জোরদার ঝটকা খেয়েছে। ঝালমুড়ি খেলাম আমি, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের।' এদিকে আজ বাংলার মহিলাদের জন্য ১০টি প্রতিশ্রুতি দেন মোদী। গর্ভবতী মহিলাদের সহায়তা থেকে শুরু করে বিনামূল্যে চিকিৎসা, পুলিশে মহিলাদের নিয়োগ, মহিলা থানা নিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন মোদীষ

এদিকে শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান মোদী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবাংলায় লোকতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। নাহলে আগে দেখা যেত, খুন করে গাছে ঝুলিয়ে বলত আত্মহত্যা করেছে। আমি কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই। আমি যতদূর খবর পাচ্ছি, বাংলায় এবার রেকর্ড হারে ভোট হচ্ছে। তাই হলফ করে বলতে পারি, রাজ্যে এবার পরিবর্তন হবেই। চারিদিকে পরিবর্তনের ঝড় দেখা যাচ্ছে। ভয়ের বিরুদ্ধে ভরসার জয় দেখতে পাচ্ছি। এর আগে একাধিক রাজ্যে বিপুল হারে ভোটদান হয়েছে। যেসব রাজ্যেই হয়েছে, সেখানেই বড় ব্যবধানে জিতেছে বিজেপি। বাংলার ভোটদান সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।'
মোদী আরও বলেন, '৪ মে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয়োৎসব হবে। মিষ্টি দেওয়া হবে, ঝালমুড়িও বিলি করা হবে। ভয় থেকে মুক্তি পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। আমি সব জায়গা দেখতে পাচ্ছি, সকলেই বলছেন পাল্টানো দরকার। সেই কারণে অনেক জেলার অনেক জায়গায় খাতাই খুলতে পারবে না তৃণমূল। আসলে মানুষ তৃণমূলের নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রীদের কাজে অতিষ্ট।' তৃণমূলের দুর্নীতি ইস্যুতে তোপ দেগে মোদী বলেন, 'বিজেপি যেখানে সবকা সাথ, সবকা বিকাশ লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে, সেখানে তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের সাথে, অনুপ্রবেশকারীদের বিকাশ নিয়ে কাজ করে। এই নির্মম সরকার গত ১৫ বছর ধরে শুধু একটাই কাজ করে গেছে, ওয়ান পার্টি, ওয়ান সিন্ডিকেট।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


