Narendra Modi and Kalyan Banerjee: ‘ওঁকে বলতে দিন, ওখানে তো মুখে তালা..’ সংসদে কল্যাণ সরব হতেই খোঁচা মোদীর
Womens' Reservation Bill in Parliament: সংসদে এদিন মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা চলছিল। তারই মাঝে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কটাক্ষ-বাণ ধেয়ে যায় তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।
সংসদে বৃহস্পতিবার চলছিল মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে ডিবেট। সংসদে এদিন বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরই মাঝে, বিরোধীপক্ষের হয়ে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হন। তিনি বিলের বিরোধিতা করতে থাকেন। তখনই মজার ছলে তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে টার্গেট করে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘কেউ কেউ শুধু রাজনৈতিক স্বার্থে গোলমাল করছেন। তবে, আমি দায়িত্বের সাথে আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, তা উত্তর হোক বা দক্ষিণ, এই প্রক্রিয়ায় কোনও বৈষম্য বা অবিচার করা হবে না।’ একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রতিশ্রুতি দিতে ও নিশ্চয়তা দিতে পারি। আপনি যদি চান আমি ‘নিশ্চয়তা’ শব্দটি ব্যবহার করি, আমি তা-ই করব, আর যদি চান আমি ‘প্রতিশ্রুতি’ শব্দটি ব্যবহার করি, আমি তা-ই বলব। এটা বলছি যাতে আমরা কোনও ভ্রান্ত ধারণা বা অহংকারের মধ্যে না থাকি।’
এই আলোচনার সময়ই তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একটা সময় বিরোধিতায় সরব হন। সঙ্গে সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী মজার ছলে কটাক্ষের সুর নিয়ে কল্যাণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘ আরে ভাই ওঁকে বলতে দিন, ওখানে তো বেচারার মুখে তালা লাগানো থাকে, বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গে) ওঁকে তো কেউ বলতে দেন না।’ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই সংসদে হাসির রোল দেখা যায়। অনেকেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই বক্তব্যে হেসে ফেলেন। প্রধানমন্ত্রীর নিজেও হাসিতে ফেটে পড়েন। তবে এরপরও বিরোধী শিবির থেকে বিরোধিতার কণ্ঠস্বর শোনা যায় সংসদে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট ২০২৬ সামনেই। এপ্রিলের শেষলগ্নে ভোট। সেই ভোট যুদ্ধে তৃণমূল-বিজেপি সম্মুখ সমরে। এরই মাঝে তৃণমূলকে নিয়ে কটাক্ষের সুর চড়িয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই খোঁচা দেন নরেন্দ্র মোদী।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


