কোটি টাকার দুর্নীতির নয়া অভিযোগ! রাজসাক্ষী হয়েও মুক্তি নেই, ফের আইনি গেরোয় জয় কামদার

Joy kamdar: অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিক শান্তনু সিনহার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে জয় কামদারের নাম উঠে এসেছিল। এবার ব্যবসায় শেয়ার হোল্ডার বানিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল জয় ও তাঁর ভাই তুষার কামদারের বিরুদ্ধে।

Published on: Aug 16, 2026, 23:22:12 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Joy kamdar: জমি দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার (Joy Kamdar)। এরই মধ্যে ফের আইনি জালে জড়ালেন অভিযুক্ত ব্যবসায়ী। নতুন করে মামলা দায়ের হল তাঁর বিরুদ্ধে।

রাজসাক্ষী হয়েও মুক্তি নেই, ফের আইনি গেরোয় জয় কামদার (সৌজন্যে টুইটার)
রাজসাক্ষী হয়েও মুক্তি নেই, ফের আইনি গেরোয় জয় কামদার (সৌজন্যে টুইটার)

অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিক শান্তনু সিনহার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে জয় কামদারের নাম উঠে এসেছিল। এবার ব্যবসায় শেয়ার হোল্ডার বানিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল জয় ও তাঁর ভাই তুষার কামদারের বিরুদ্ধে। লাভের অংশীদারিত্বের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি করে নেওয়ার পর প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে জয়-সহ দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। কলকাতার অশ্বিনী দত্ত রোডের বাসিন্দা জয় কামদার, তুষার কামদার এবং তাঁদের সংস্থার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত জয় ও তুষার কামদার অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগকারীর দাবি, একটি নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরে সহায়তা করলে তাঁকে মোট লাভের ২৫ শতাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, অভিযোগকারী নেপাল ভট্টাচার্য স্ট্রিটে অবস্থিত একটি মূল্যবান জমিতে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার ব্যবস্থা করেন এবং একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত তা সম্পন্নও হয়। অভিযোগ, কাজ শেষ হওয়ার পর অভিযুক্তরা চুক্তি অনুযায়ী কাজ করেননি। তাঁরা নামমাত্র অর্থ দিয়ে অভিযোগকারীকে চলে যেতে বলেন। এমনকী চুক্তির শর্তাবলীও অস্বীকার করেন।

অভিযোগকারীর দাবি, জয় ও তুষার প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করেছেন। এরপরেই অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। উল্লেখ্য, জয় কামদার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে ‘অ্যাপ্রুভার’ (সরকারি সাক্ষী) হওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। মামলার শুনানির সময় তিনি আদালতে নিজের এই ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন। তবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তাঁর আবেদন গ্রহণ করার পাশাপাশি আদালত তাতে অনুমোদন দেবে কি না, তা এখনও বিবেচনাধীন।