NIA Search Operation: অনলাইনে জেহাদি নিয়োগের অভিযোগ! আইএস নেটওয়ার্ক ভাঙতে বাংলা-সহ ১০ রাজ্যে তল্লাশি NIAর

NIA Search Operation: তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের পাঁচটি, অন্ধ্রপ্রদেশের চারটি, মহারাষ্ট্রের তিনটি, দিল্লির ২টি এবং বিহার, রাজস্থান, কর্ণাটক, গুজরাট, তেলাঙ্গানা ও পশ্চিমবঙ্গের একটি করে জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই তল্লাশিতে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Published on: Jul 9, 2026, 21:21:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

NIA Search Operation: জেহাদি কার্যকলাপের মাধ্যমে ভারতে ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন আইএস। অনলাইনে যুবকদের মগজ ধোলাই করে চলছে নিয়োগ। আর এই মামলার তদন্তের সূত্র ধরে বুধবার পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, রাজস্থান, গুজরাট, অন্ধ্রপ্রদেশ-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সব মিলিয়ে ২০টি স্থানে তল্লাশি হয়েছে বলে খবর। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একাধিক নথি।

বাংলা-সহ ১০ রাজ্যে তল্লাশি NIAর (HT File)
বাংলা-সহ ১০ রাজ্যে তল্লাশি NIAর (HT File)

বার্তা সংবাদ এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের পাঁচটি, অন্ধ্রপ্রদেশের চারটি, মহারাষ্ট্রের তিনটি, দিল্লির ২টি এবং বিহার, রাজস্থান, কর্ণাটক, গুজরাট, তেলাঙ্গানা ও পশ্চিমবঙ্গের একটি করে জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই তল্লাশিতে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এনআইএ জানিয়েছে, সেগুলির ফরেন্সিক পরীক্ষা করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে। চলতি বছরের মার্চ মাসে বিজয়ওয়াড়া পুলিশ আইএস জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মূল অভিযুক্ত মহম্মদ রেহামাতুল্লার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে জঙ্গি সংগঠনের আইএসের একাধিক নথি উদ্ধার হয়। সেগুলি ঘেঁটে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দেওয়াই আইএসের লক্ষ্য। ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তারা।

গত ১৩মে বিজয়ওয়াড়া পুলিশের হাত থেকে এই মামলার তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশাখাপত্তনম শাখা। তারপরে মামলা রুজু হয়। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় ১১ জন অভিযুক্ত এবং এক নাবালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। হেফাজতে নিয়ে সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পাশাপাশি, উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ঘেঁটে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি জানতে পারে, বিদেশে বসে জঙ্গি হ্যান্ডলরা দেশের যুব সমাজকে টার্গেট করছে। ব্যাপক মগজ ধোলাই চলছে সেখানে। যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে আল কায়েদা এবং আইএসআইএস- এর জঙ্গি মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সবটাই করা হচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি হ্যান্ডলারদের মাধ্যমে। একাধিক যুবক ইতিমধ্যেই আইএসে নাম লিখিয়েছেন। সেখানে দিল্লি, গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ-সহ কয়েকটি রাজ্যের নাম জড়িয়ে গিয়েছে এই কাণ্ডে। অভিযোগ, বাংলারও বহু যুবক আইএসে ভিড়েছেন। সেই সূত্রেই ৮ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের ২০টি জায়গায় এনআইএ-এর তল্লাশি চালানো হয়েছে।

প্রাথমিক ভাবে এনআইএ-এর তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন যে, বিদেশে বসে জঙ্গি সংগঠনের নেতারা অনলাইনে দেশের যুব সম্প্রদায়কে ক্রমাগত ভুল বুঝিয়ে হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এক হ্যান্ডলারের নামও প্রকাশ্যে এসেছিল, আল হাকিম সুকুর। সেই সূত্র ধরে মহম্মদ রেহামাতুল্লা শরিফ নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল যে একজন আইএসআইএস জঙ্গি বলে জানা যায়। এই ২ জঙ্গি যুব সমাজের মগজ ধোলাই করার চেষ্টা চালাচ্ছিল বিদেশে বসে, অনলাইনে, এমনটাই জানা গিয়েছে।