WB Nipah Virus Case Update: বারাসত, বর্ধমান, বারাসত- বাংলায় নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত ২ নার্স, কী কী করতে হবে?
পশ্চিমবঙ্গে দু'জন নিপা ভাইরাস আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গেল। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী জানিয়েছেন, কীভাবে ওই দু'জন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তাঁরা কাদের কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত দু'জনের হদিশ মিলল। তাঁরা উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে একটি জেলায় (পূর্ব বর্ধমান) যান। সেখানেই ধরা পড়েছে যে তাঁরা নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আপাতত তাঁরা বারাসতের বেসরকারি হাসপাতালেই ভরতি আছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে ওই দু'জন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তাঁরা কাদের কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাতে সেই ভাইরাস অন্য কারও শরীরে সংক্রামিত না হয়, সেজন্য যাবতীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যসচিব। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার মতো জেলায়। সেইসঙ্গে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। তবে কয়েকটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।

বারাসতের হাসপাতালের ভরতি আছেন ২ জনই
সোমবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব বলেন, 'আমাদের রাজ্যে গতকাল রাতে দুটি নিপা ভাইরাস কেস ধরা পড়েছে। বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সেই বিষয়টি রিপোর্ট হয়েছেন। দু'জনেই ওখানে কর্মরত ছিলেন। আর আপাতত দু'জনেরই ওখানে চিকিৎসা চলছে।'
উচ্চপর্যায়ের বৈঠক রাজ্যের, নজর মুখ্যমন্ত্রীরও
সেইসঙ্গে তিনি জানান, সংক্রামক ব্যাধি বিষয়ক চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক সেরেছেন। সোমবার সকালে রাজ্য সরকারের একটি প্রতিনিধি দল ওই হাসপাতাল থেকে ঘুরে এসেছে। পুরো বিষয়টির উপরে নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেও জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।
কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে?
আর সেই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। কয়েকটি সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আর্জি জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘বাদুড়ের থেকে এই নিপা ভইরাস ছড়ায়। তাই বাদুড় যা যা খায়, সেগুলি এড়িয়ে চলুন। প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ হাতধোয়া, ফল-সবজি খাওয়ার সময় হাতটা ধুয়ে নেওয়ার মতো বিধি (পালন করে চলতে হবে)। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যভবনে হেল্পলাইন নম্বর খোলা হয়েছে।’
নিপা ভাইরাস সংক্রান্ত স্বাস্থ্যভবনের হেল্পলাইন নম্বর
১) 033-23330180
২) 9874708858
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


