Annapurna Bhandar: পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুন মাসে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়া গেলেও জুলাই মাসে বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হয়নি। পাশাপাশি, অনেক আবেদনকারীর মোবাইলে আবেদন ‘রিজেক্টেড’ দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ।
Annapurna Bhandar: জুলাই মাস চললেও এখনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসেনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা। আর সেই ক্ষোভেই হাবড়া পুরসভায় বিক্ষোভে সামিল হলেন শতাধিক উপভোক্তা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুরসভার অর্থ বিভাগের দফতরে ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হাবড়া থানার পুলিশ। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন পুলিশ আধিকারিকরা।
হাবড়া পুরসভায় ভাঙচুর-বিক্ষোভ শতাধিক মহিলার প্রতীকী ছবি (সৌজন্যে টুইটার)
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুন মাসে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়া গেলেও জুলাই মাসে বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হয়নি। পাশাপাশি, অনেক আবেদনকারীর মোবাইলে আবেদন ‘রিজেক্টেড’ দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ। এর জেরে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মহিলারা এদিন পুরসভায় পৌঁছে বিষয়টি নিয়ে জবাবদিহি চান। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা না পাওয়ায় ক্ষোভ আরও বাড়ে। পরে তাঁরা অর্থ বিভাগের দফতরের গেলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে না পেয়ে ক্ষোভ আরও বাড়ে। তখনই দফতরে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারী শুভশ্রী মজুমদার পালের দাবি, কোনও কারণ না জানিয়েই বহু আবেদন বাতিল করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে পুরসভারও ভূমিকা রয়েছে।
যদিও পুরসভার আধিকারিক মিঠুন মজুমদার জানিয়েছেন, 'অন্নপূর্ণা যোজনার প্রকল্পে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও অধিকার নেই৷ যাঁরা অফলাইনে আবেদন করেছেন, আমরা তাঁদের তথ্যগুলি অনলাইনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পোর্টালে আপলোড করে দিয়েছি৷ প্রথম মাসে টাকা পেয়েছেন৷ কিন্তু, দ্বিতীয় মাসে কেন তাঁদের নাম বাতিল হয়েছে, তা আমাদের জানা নেই৷ আমরা শুধুমাত্র আবেদনকারীর তথ্যগুলি অন্নপূর্ণা যোজনার ওয়েবসাইটে আপলোড করেছি৷ কেন সেগুলি বাতিল হয়েছে, তা আমরা বলতে পারব না৷ আমাদের এখান থেকে উপভোক্তাদের নাম বাতিল হওয়ার বিষয়টি জানার কোনও উপায় নেই৷ এ নিয়ে হাবড়া পুরসভার ফিন্যান্স আধিকারিক উত্তম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি ৷ এদিকে, শুধু হাবড়াতেই নয়, রাজ্যের অন্য জায়গা থেকেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসছে। সম্প্রতি ধূপগুড়ি পুরসভায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বহু মহিলা বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগে ৩২ জন স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীকে শোকজ করেছেন মহকুমা শাসক। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাছ থেকে লিখিত ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। ফলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে নজরদারি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।