এসআইআর শুরু হতেই আতঙ্ক, বাংলাদেশ পালাতে গিয়ে ধরা পড়ল যুবক
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্জয় আদতে বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। ভারত আসে অবৈধভাবে। তারপর নাম-পরিচয় গোপন করে তৈরি করে ফেলেন আধার কার্ড। সেই নথিই ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করছিলেন তিনি।
জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া ঘোষণার পর থেকেই নথিপত্র নিয়ে চাপে ছিলেন দুর্জয় রায় নামে এক যুবক। অবৈধভাবে ভারতীয় পরিচয় তৈরি করে দীর্ঘদিন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন চা বাগান ও হোটেলে কাজ করা ওই বাংলাদেশি যুবক শেষ পর্যন্ত আতঙ্কে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ধরা পড়ে যান সীমান্ত এলাকায়। শুক্রবার গভীর রাতে হলদিবাড়ি সীমান্ত চত্বরে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেলে পুলিশ তাঁকে আটকে থানায় নিয়ে যায়। শনিবার ধৃতকে মেখলিগঞ্জ আদালতে পেশ করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে হলদিবাড়ি থানা।
এসআইআর শুরু হতেই আতঙ্ক, বাংলাদেশ পালাতে গিয়ে ধরা পড়ল যুবক
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্জয় আদতে বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। ভারত আসে অবৈধভাবে। তারপর নাম-পরিচয় গোপন করে তৈরি করে ফেলেন আধার কার্ড। সেই নথিই ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করছিলেন তিনি। হলদিবাড়ি থানা এলাকােই তিনি বেশ কিছুদিন ধরে বসবাসও করছিলেন। কিন্তু এসআইআর ঘোষণা হতেই ধরে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তীব্র হয়। ভোটার তালিকা যাচাই-পর্বে নথিপত্র চাওয়া শুরু হবে জানতেই তিনি পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকাকে মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়েছে। যাঁদের নাম সেই তালিকায় আছে তাঁরা সরাসরি তা দেখাতে পারবেন। যাঁদের নেই, তাঁদের মা-বাবা বা আত্মীয়ের নাম দিয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হবে। এই কঠোরতার মধ্যেই দুর্জয়ের ভুয়ো পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয় আরও বাড়ে। ফলে অন্ধকারে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু টহলরত পুলিশের তৎপরতায় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
News/Bengal/এসআইআর শুরু হতেই আতঙ্ক, বাংলাদেশ পালাতে গিয়ে ধরা পড়ল যুবক