Panskura-Digha-Asansol-Haldia Trains: পাঁশকুড়া-দিঘা লোকালের মেয়াদ বাড়ল, হলদিয়া ও দিঘার অপর ট্রেন নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত
পাঁশকুড়া-দিঘা স্পেশাল লোকাল ট্রেনের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। সেইসঙ্গে দিঘাগামী আরও একটি ট্রেন এবং হলদিয়াগামী ট্রেন নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। তাছাড়াও ইস্পাত এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ বাড়ল।
পাঁশকুড়া-দিঘা স্পেশাল লোকাল ট্রেনের মেয়াদ আরও বাড়ানো হল। মঙ্গলবার দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ মে পর্যন্ত পাঁশকুড়া-দিঘা-পাঁশকুড়া লোকাল ট্রেন চালানো হবে। যে ট্রেনের মেয়াদ আগেও বাড়ানো হয়েছিল। যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে আরও একদফায় পাঁশকুড়া-দিঘা স্পেশাল লোকাল ট্রেনের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে। আবার ১২৮৭১/১২৮৭২ হাওড়া-তিতলাগড়-হাওড়া ইস্পাত এক্সপ্রেসের যাত্রার পথ আরও বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে জুনাগড় রোড স্টেশন পর্যন্ত যাবে হাওড়া-তিতলাগড় ইস্পাত এক্সপ্রেস। আবার একইভাবে জুনাগড় রোড় থেকে তিতলাগড়-হাওড়া ইস্পাত এক্সপ্রেস ছাড়বে। যদিও সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ করেছেন নিত্যযাত্রীদের একাংশ। কটাক্ষ করে তাঁদের বক্তব্য, আগে যা লেট করত, এখন তার থেকে বেশি দেরিতে চলবে।

পাঁশকুড়া-দিঘা স্পেশাল লোকাল ট্রেনের সময়সূচি
১) পাঁশকুড়া-দিঘা স্পেশাল লোকাল ট্রেন: সকাল ৭ টায় পাঁশকুড়া থেকে ছাড়বে। দিঘায় পৌঁছাবে সকাল ৯ টা ২০ মিনিটে।
২) দিঘা-পাঁশকুড়া স্পেশাল লোকাল ট্রেন: ফিরতি পথে সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে দিঘা থেকে ছাড়বে স্পেশাল ট্রেন। পাঁশকুড়ায় পৌঁছাবে সকাল ১১ টা ৫০ মিনিট।
আর সেই ট্রেনের পরিষেবার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি দিঘা বা হাওড়াগামী যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। কারণ তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস মাঝেমধ্যেই ঘণ্টার পরে ঘণ্টার লেট হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতিতে যাঁরা সকাল ১০ টার মধ্যে দিঘায় পৌঁছে যেতে চান, তাঁরা সকাল-সকাল হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেন ধরে পাঁশকুড়ায় পৌঁছে গিয়ে পাঁশকুড়া-দিঘা স্পেশাল ধরে নিতে পারেন। সেই আবহে ওই ট্রেনের উপর থেকে ‘স্পেশাল’ তকমা তুলে নিয়ে নিয়মিত করে দেওয়ার দাবিও তোলা হয়েছে।
ইস্পাত এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ বৃদ্ধি
১) ১২৮৭১ হাওড়া-তিতলাগড় ইস্পাত এক্সপ্রেস: ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে জুনাগড় রোড পর্যন্ত যাবে। রাত ১০ টা ৩৫ মিনিটে পৌঁছাবে।
২) ১২৮৭২ তিতলাগড়-হাওড়া ইস্পাত এক্সপ্রেস: ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে জুনাগড় রোড স্টেশন থেকে ছাড়বে। রাত ২ টো ১৫ মিনিট থেকে ছাড়বে।
আসানসোল থেকে ট্রেনের জন্যও সুখবর
১) ১৩৫০৬/১৩৫০৫ আসানসোল-দিঘা-আসানসোল এক্সপ্রেস: ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২৩ অগস্ট পর্যন্ত একটি সংরক্ষিত চেয়ার কার যুক্ত করা হচ্ছে।
২) ২২৩৩০/২২৩২৯ আসানসোল-হলদিয়া-আসানসোল এক্সপ্রেস: ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ অগস্ট পর্যন্ত একটি সংরক্ষিত চেয়ার কার যুক্ত করা হচ্ছে বলে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


