Partha on Yuva Sathi and Jobs: 'ভাতা অন্য মাত্রা আনে, তবে চাকরি সবার আগে', দাবি নিয়োগ দুর্নীতির ‘মাথা’ পার্থের
কর্মসংস্থান তৈরির উপরে সবথেকে বেশি জোর দিতে হবে, মত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। যিনি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী নিয়োগ দুর্নীতি থেকে প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় নাম জড়িয়েছিল পার্থের।
বিধানসভা নির্বাচনর ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় বেকার ভাতা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। মাসে ১,৫০০ টাকা দেওয়া হবে যুবক-যুবতীদের। তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে একটি মহলে। বিরোধীদের আক্রমণে বিদ্ধ হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। যদিও ভাতা দেওয়ার মধ্যে ভুল কিছু দেখছেন না রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শনিবার তিনি দাবি করেছেন, বামপন্থীরা ভাতা দিতেন। বিজেপি-শাসিত রাজ্যেও ভাতা দেওয়া হয়। ভাতা দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। সেই পরিস্থিতিতে ভাতা দেওয়ায় কোনও ভুল নেই বলে দাবি করেছেন পার্থ। তবে তিনি এটাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে ভাতা দেওয়া হলেও চাকরির ব্যাপারটা সবার আগে। কর্মসংস্থান তৈরির উপরে জোর দেন পার্থ।

‘যে ভাতা-ভাতা করে চিৎকার করছে....’, তোপ পার্থের
তাঁর কথায়, ‘ভাতা দেওয়ার ব্যাপারটাই এই প্রথম নয়। যে ভাতা-ভাতা করে চিৎকার করছে....। ভাতা দেওয়াটা প্রথম নয় এটা। ভাতা তো বামপন্থীরাও দিয়েছে। নানাভাবে ভাতা দিয়েছে। বিজেপি সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার বা বিজেপি-শাসিত রাজ্যেও ভাতা আছে। আমার যতদূর মনে পড়ে, আমাদের নির্বাচনী ইস্তাহারেও এ কথার উল্লেখ ছিল। ভাতা একটা অন্য মাত্রা আনে। কিন্তু কর্মসংস্থান সবথেকে আগে।'
'২ কোটি চাকরি দেব বলে দুটোও….', দাবি পার্থের
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, 'এই আওয়াজ তোলা, দু'কোটি লোকের চাকরি দেব বলে দুটোও দিতে পারলাম না, কর্মসৃষ্টি করা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার (কাজটা) আমি কর্পোরেট জীবনেও করেছি। আমায় যাঁরা ঢিল মারছেন, কাদা মারছেন, তাঁরা ভেবে দেখুন যে সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বে কত লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।'
নিয়োগ দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ পার্থ চট্টোপাধ্যায়
আর যে পার্থ সেইসব কথা বলেছেন, তিনি রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে ছিলেন। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী নিয়োগ দুর্নীতি থেকে প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় নাম জড়িয়েছিল পার্থের। এমনকী প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে তো তাঁকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলেছিল সিবিআই। শুধু তাই নয়, তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধারও হয়েছিল। বাজেয়াপ্ত হয়েছিল অন্যান্য জিনিসও।
তবে আপাতত জামিনে মুক্ত আছেন পার্থ। আর জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরে শনিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রথমবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বেহালা পশ্চিমে জনসংযোগ করেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজের আসন ফিরে পেতে নেমে পড়েন ময়দানে। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ‘(আমি) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দায়বদ্ধ বেহালা পশ্চিমের মানুষের কাছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


