WB Police and Kolkata Police transfer: রাজ্যের ‘ডিজিপি’ হলেন পীযূষ পান্ডে, কলকাতার পুলিশ কমিশনার হলেন মমতার আস্থাভাজন
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নয়া ভারপ্রাপ্ত ডিজি হচ্ছেন পীযূষ পান্ডে। রাজ্য পুলিশের বিদায়ি ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের অবসর নেওয়ার আগেরদিন নবান্নের তরফে তাঁর উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করা হল। সেইসঙ্গে একাধিক শীর্ষপদে রদবদল করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নয়া ভারপ্রাপ্ত ডিজি হচ্ছেন পীযূষ পান্ডে। রাজ্য পুলিশের বিদায়ি ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের অবসর নেওয়ার আগেরদিন নবান্নের তরফে তাঁর উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করা হল। সেইসঙ্গে একাধিক শীর্ষপদে রদবদল করা হয়েছে। কলকাতার নয়া পুলিশ কমিশনার হলেন সুপ্রতিম সরকার। যিনি এতদিন এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) পদে ছিলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। তাঁকেই সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানির আগে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদে বসানো হল। আর যে মনোজ ভার্মা এতদিন নগরপাল ছিলেন, তাঁকে ডিরেক্টর (সিকিউরিটি) পদে নিয়ে গেল নবান্ন। আবার এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে বসানো হল বিনীত গোয়েলকে। আরজি কর আন্দোলনের সময় যে আইপিএল অফিসারকে সরিয়ে মনোজ ভার্মাকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার করা হয়েছিল। অন্যদিকে এডিজি (স্পেশাল টাস্ক ফোর্স) করা হল জাভেদ শামিমকে।

বিদায়বেলায় কী কী বললেন রাজীব কুমার?
আর রাজ্য পুলিশের নয়া ভারপ্রাপ্ত ডিজি যে ঘোষণা করা হবে, তা আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। রাজীব কুমারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ জানুয়ারি। তার আগে বৃহস্পতিবার তাঁকে বিদায়ি সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। তিনি জানান, পুলিশের প্রথম গুণটাই হল সাহস। কাজের সময় অনেক ক্ষেত্রেই পুলিশকে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়। মুখোমুখি হতে হয় কঠিন চ্যালেঞ্জের। আর সেই কঠিন পরিস্থিতি এবং চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার জন্য সবসময় সৎসাহস থাকতে হয়। তাহলেই যে কোনও পরিস্থিতি সামলানো যাবে বলে দাবি করেন রাজ্য পুলিশের বিদায়ি ভারপ্রাপ্ত ডিজি।
১৯৯৩ ব্যাচের IPS অফিসারকে গুরুদায়িত্ব
সেই রেশ ধরে ‘সাহস’ বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন, সেটাও রাজ্য পুলিশের বিদায়ি ডিজি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে দেন। তিনি জানান, সাহসের অর্থ হল রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতা। নিজে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটায় অবিচল থাকাই আদতে সাহসিকতার পরিচয় তুলে ধরে বলে দাবি করেন রাজীব কুমার। তাঁর পরে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হচ্ছেন ১৯৯৩ ব্যাচের আইপিএস অফিসার পীযূষ পান্ডে।
রাজ্যের তালিকায় নাম ছিল না পীযূষ পান্ডের
তবে স্থায়ী ডিজিপির জন্য ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (ইউপিএসসি) কাছে যে তালিকা পাঠিয়েছিল রাজ্য সরকার, তাতে পীযূষ পান্ডের নাম ছিল না। নিয়ম অনুযায়ী, স্থায়ী ডিজিপির জন্য ইউপিএসসির কাছে সিনিয়র আইপিএস অফিসারদের নামের তালিকা পাঠাতে হয় রাজ্যকে। সেখান থেকে তিনজনের নাম বাছাই করে দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে থেকে একজনকে স্থায়ী ডিজিপি হিসেবে বেছে নেয় রাজ্য সরকার।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


