PM Modi attacks TMC on Women's Bill: তৃণমূলকে 'মহাসাজা' দিতে হবে, 'মা সারদার' মাটি থেকে মহিলা বিল নিয়ে আক্রমণ মোদীর

PM Modi attacks TMC on Women's Bill: মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে লোকসভায় ধাক্কা খাওয়ার পরে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

Published on: Apr 19, 2026 11:44 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

PM Modi attacks TMC on Women's Bill: মঞ্চটা বৃৃহস্পতিবারই প্রস্তুত করে ফেলেছিলেন। শনিবার সেই ঝাঁঝটা আরও বাড়িয়েছিলেন। আর বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের আগে চারদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে এসে আক্রমণের সুর একেবারে সপ্তমে নিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে লোকসভায় ধাক্কা খাওয়ার পরে বাঁকুড়ার বড়জোড়ার সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে নারী-বিরোধী তকমা দেওয়ার চেষ্টা করলেন। দাবি করলেন যে বিল পাশ করতে না দিয়ে বাংলার মহিলাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে তৃণমূল।

বড়জোড়ার সভায় নরেন্দ্র মোদী। (ছবি সৌজন্যে, ইউটিউব Narendra Modi)
বড়জোড়ার সভায় নরেন্দ্র মোদী। (ছবি সৌজন্যে, ইউটিউব Narendra Modi)

বিষ্ণুপুর থেকে কী কী বার্তা দিলেন মোদী?

১) মোদী: প্রতিটি জনসভায় আগের থেকেও বেশি ভিড় দেখতে পাচ্ছি। বাংলা প্রতিজ্ঞা করে নিয়েছে যে পালটানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।

২) মোদী: এটা মা সারদার পবিত্র মাটি। আর এখানে এত মা-বোনেরা এসেছে। বিজেপির পরিচয় মহিলার ক্ষমতায়নের মাধ্যমে হয়, মহিলাদের সুরক্ষার মাধ্যমে হয়। তাই দেশের প্রতিটি রাজ্যে মহিলারা আমাদের আশীর্বাদ দেন।

৩) মোদী: আমরা চাই যে বিকশিত ভারতের অন্যতম স্তম্ভ হয়ে উঠুক মহিলারা।

৪) মোদী: আপনারা দেখেছেন যে সংসদে কী হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার বোনেদের সঙ্গে আরও একটা অবিচার করল। তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে তৃণমূল। বাংলার মেয়েরা চাইছিলেন যে তাঁরা ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ পান। সেটা মোদী নিশ্চিত করছিলেন। বাংলার মেয়েরা চাইছিলেন যে ২০২৯ সাল থেকেই সেটা কার্যকর হোক। তৃণমূল চাইছিল না যে বেশি সংখ্যক মহিলা বিধায়ক বা সাংসদ হোক। কারণ মহিলারা তৃণমূলের মহাজঙ্গলরাজকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন।

৫) মোদী: মা-বোনেদের প্রশ্ন করছি, তৃণমূলের সাজা হবে?

৬) মোদী: তৃণমূলকে বড় সাজা দিতে হবে। মহা জঙ্গলরাজকে মহাসাজা দিতে হবে। আদিবাসী মা-বোনেদের সহ্য করতে পারে না তৃণমূল।

মোদীর অভিযোগের জবাব আগেই দিয়েছেন মমতা

যদিও কেন মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল-সহ বিরোধী জোট, সেই ব্যাখ্যা ইতিমধ্যে দিয়েছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘মহিলা সংরক্ষণ বিল ছিল ওদের (বিজেপি) একটি লোক দেখানো মুখোশ। ডিলিমিটেশনের পর ওরা এনআরসি চালু করত এবং মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাত। এসআইআরের নামে ওরা ইতিমধ্যেই আপনাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে।’

কোটার চেয়ে বেশি মহিলা সাংসদ আছে তৃণমূলের, দাবি ঘাসফুল শিবিরের

সেইসঙ্গে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, ২০২৩ সালের মহিলা সংরক্ষণ বিলে তো সমর্থন করা হয়েছিল। সেটা পাশও হয়ে গিয়েছিল। সেখানেই তো ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণের কথা ছিল। আর তাছাড়া যে বিজেপি এত কথা বলছে, লোকসভায় সেই দলের মহিলা সাংসদ ১৩ শতাংশের মতো। সেখানে তৃণমূলের প্রায় ৪০ শতাংশের মতো সাংসদই মহিলা।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More