Controversy In Nandigram: ভোটের মুখে অ্যাকশনে পুলিশ! টাকা বিলির অভিযোগ, নন্দীগ্রামে আটক TMCর দাপুটে নেতা
Controversy In Nandigram: সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম নেতা, একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। অভিযোগ, তিনি নাকি ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলি করেছেন।
Controversy In Nandigram: প্রথম দফা ভোটের জন্য হাতে বাকি আর মাত্র ১ দিন, এমতাবস্থায় রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা থেকে কর্মীদের গ্রেফতারির কিংবা আটকের সক্রিয়তা দেখা গেল। এবার টার্গেট নন্দীগ্রামের দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমান। সূত্রের খবর, টাকা বিলির অভিযোগে সোমবার রাতেই গ্রেফতার করা হয় ১ নং ব্লকের অন্তর্গত ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল প্রধানকে। যদিও পুলিশ কোনও অর্থ এখনও পর্যন্ত পায়নি তাঁর কাছ থেকে। এই ঘটনায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলে রাতারাতি থানায় যান তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করও। পুলিশ এনিয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

ঠিক কী ঘটেছিল?
সম্প্রতি ভোটপ্রচারে গিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ভোটের সময়ে বাংলাকে অস্থির করে তুলতে নানা ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি। আগামী ১৫০ ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে সোমবারই সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা, সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন সতর্ক করেছেন। তাঁদের সেই আশঙ্কা মিলিয়ে সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম নেতা, একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। অভিযোগ, তিনি নাকি ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলি করেছেন। জানা যাচ্ছে, তাঁর বাড়ি থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে থানায়। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে নন্দীগ্রামে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এদিকে, ভোটের মুখে পুলিশি অ্যাকশনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে থানায় গিয়ে বাইরে বিক্ষোভ দেখান। খবর পৌঁছয় জেলায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর-সহ দলের নেতারা থানায় যান। তবে এখনও গ্রেফতারি প্রসঙ্গে পুলিশ কিছু জানায়নি। এমনকী শেষ আপডেট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, পুলিশ কোনও টাকা এখনও পর্যন্ত পায়নি হাবিবুরের থেকে। তাহলে কেন টাকা বিলির অভিযোগে তাঁকে থানায় তুলে আনা হল? এই প্রশ্ন তুলছে শাসক শিবির। তাঁদের অভিযোগ, নন্দীগ্রামে বিজেপি হারবে, তা বুঝে তৃণমূলকে আটকাতে পুলিশে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এই মুহূর্তে জেলা পুলিশ নির্বাচন কমিশনের আওতায়। তাই তারাও বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা যাচাই না করেই তৃণমূল নেতাকে আটক করেছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। এদিকে, বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতেই তৃণমূল নেতা টাকা বিলি করছিলেন। বিজেপি নেতা ধনঞ্জয় খাঁড়া বলেন, 'সময়ের অপেক্ষা। দেখবেন ৪ তারিখের পর ওদের অবস্থা কী হয়।' গোটা এলাকায় চরম বিশৃঙ্খলাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
E-Paper

