Police Observer: ভোটবঙ্গে বড় পদক্ষেপ! রাজ্যে ফের পুলিশ পর্যবেক্ষণ নিয়োগ কমিশনের, ভিনরাজ্যের IPS...

Police Observer:এই প্রথমবার নয়। এর আগেও একাধিকবার পুলিশ-প্রশাসনের একাধিক পদে রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন।

Published on: Apr 13, 2026 2:14 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Police Observer: বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র দশ দিন বাকি। আর সেই আবহে রাজ্যে আরও এক ভিনরাজ্যের আইপিএস আধিকারিককে বাংলার পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন সদন থেকে পাঠানো সাম্প্রতিক চিঠিতে জানানো হয়েছে, ওড়িশা ক্যাডারের আইপিএস অফিসার সর্বানা বিবেক এম-কে এবার ভোট প্রক্রিয়ায় পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ভোটবঙ্গে বড় পদক্ষেপ!
ভোটবঙ্গে বড় পদক্ষেপ!

এর আগে যেভাবে ধাপে ধাপে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছিল, নতুন এই সিদ্ধান্তকে তারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা, ভোটের সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম ঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা- তার উপর নজর রাখবেন এই নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক। সেই সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট তিনি কমিশনে পাঠাবেন। নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে কমিশন নজরদারি আরও আঁটসাঁট করছে বলেই মনে করা হচ্ছে। বাংলার ভোট নিয়ে সতর্ক কমিশন। গত মাসে রাজ্যে এসেই আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে সুষ্ঠু ভোটের বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

এই প্রথমবার নয়। এর আগেও একাধিকবার পুলিশ-প্রশাসনের একাধিক পদে রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক পুলিশ আধিকারিক, আইপিএসকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভিনরাজ্য থেকে নিয়োগ করা হয়েছে পুলিশ পর্যবেক্ষক। গতমাসেই বিহার, তেলাঙ্গানা, দিল্লি, পাঞ্জাব, গুজরাট থেকে বাংলায় এসেছেন অন্তত ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক। জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। সাধারণ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২৯৪। এদিকে, পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়ে কমিশনকে তোপ দেগেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ ভোটের নামে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে এমন সব আধিকারিকদের পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে জমি কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে কোটি টাকার দুর্নীতি, এমনকী নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। 'কমিশন কেবল বেছে বেছে বিজেপি ঘনিষ্ঠ বা কলঙ্কিত আধিকারিকদেরই বাংলায় পাঠাচ্ছে।' এই অভিযোগও করেছে রাজ্যের শাসক দল।

বলে রাখা ভালো, বাংলার ভোটে অশান্তি ঘটে না তা একেবারে বলা যাবে না। বোমাবাজি থেকে খুন- এমন নানা বড় ঘটনার সাক্ষী থাকে বহু জায়গা। একুশের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিশেষত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। যদিও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল। ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসায় একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের নির্বাচনে চব্বিশের সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। আর সে কারণেই ভোটের কাজে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকদের একমাত্র কমিশনের নির্দেশমতো কাজ করার কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। কোনও রাজনৈতিক দল কিংবা নেতার নির্দেশে কাজ করলে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া প্রত্যেক পুলিশ সুপারদের কোনও হিংসা দেখলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।