Madan Mitra Residence Police Raid: তালা ভেঙে মদনের বাড়িতে ঢুকল পুলিশ, অভিষেক-কাণ্ডে হুমকির জন্য নাকি অন্য কিছু?
Madan Mitra Residence Police Raid: তালা ভেঙে মদন মিত্রের বাড়িতে ঢুকল পুলিশ। ব্যারাকপুর কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে চলে সেই পুলিশি অভিযান। কারণ নিয়ে দুটি তত্ত্ব উঠে আসছে।
Madan Mitra Residence Police Raid: তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্রের কামারহাটির বাড়িতে পুলিশি অভিযান চলল। সূত্রের খবর, রবিবার দুপুরে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মদনের বাড়িতে আসে পুলিশ। তবে সেইসময় ওই বাড়িটি বন্ধ ছিলেন। বাইরে থেকে দেওয়া ছিল তালা। সেই তালা ভেঙেই ভিতরে পুলিশ অফিসাররা ঢোকেন। এক ঘণ্টার মতো চলে তল্লাশি। তবে কী কারণে সেই তল্লাশি চালানো হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মদন দাবি করেছেন যে কেন পুলিশি অভিযান চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেননি। যিনি পুলিশি অভিযানের সময় ওই বাড়িতে ছিলেন না।

মদনের বাড়িতে তল্লাশির প্রথম তত্ত্ব
তবে সেই তল্লাশি অভিযানের কারণ নিয়ে দুটি ভিন্ন তত্ত্ব উঠে আসছে। একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শনিবার সোনারপুরে গিয়ে যখন হেনস্থার মুখে পড়েন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তখন রাস্তায় নামেন মদন। মিছিল করে প্রতিবাদ করেন। পুলিশ পায়ে না ধরলে বেলঘরিয়া অচল করার হুঁশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ ওঠে মদনের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: সোনারপুর থানার স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ, অভিষেক-কাণ্ডে গ্রেফতার একাধিক
পুলিশি অভিযান নিয়ে দ্বিতীয় তত্ত্ব
অপর মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, যে জমির উপরে মদনের ওই বাড়িটি রয়েছে, সেটা আদতে নাকি কেন্দ্রীয় সংস্থার। কীভাবে ওই জমিতে ওই বাড়ি তৈরি করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যে বাড়িতে মদন মাঝেমধ্যে আসেন বলে ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে। তবে ঠিক কোন কারণে পুলিশের অভিযান চলেছে মদনের বাড়িতে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কল্যাণের উপরে ‘হামলা’, দাবি মমতার
তারইমধ্যে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথায় আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, আজ চণ্ডীতলায় তাঁর মাথায় ঢিল পড়েছে। তাতে মাথায় লেগেছে। তা নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, টবাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধ ও বিজেপির হিংস্র রাজনীতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বাংলায় রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা ও হিংসার এক চরম রূপ দেখছে দেশবাসী। গতকাল লোকসভার সংসদীয় দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর কাপুরুষোচিত হামলার পর, আজ লোকসভার আমাদের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


