Post Poll Violence: একুশে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের থেকে জরিমানা নিয়েছিল তৃণমূল, পালাবদলের পরই ফেরাচ্ছে টাকা
২০২১ সালে বীরভূমের ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ফিরে যেতে ৫০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত তোলাবাজি করেছিল তৃণমূল। তবে রাজ্যে পালাবদল হতেই সেই টাকা ফিরিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল। রিপোর্ট অনুযায়ী, শান্তিনিকেতনের ১১টি বিজেপি পরিবারকে ইতিমধ্যে টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।
২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার জেরে বহু জায়গায় বিজেপির নেতা-কর্মীরা ঘরছাড়া হয়েছিলেন। এরই সঙ্গে তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস বহু জায়গাতেই বিজেপি কর্মীদের থেকে তোলাবাজি করেছিল। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে পালাবদল হয়েছে। এবারও নির্বাচনের পরে হিংসার সাক্ষী থেকেছে বাংলা। তবে তুলনামূলক ভাবে ২০২১ সালের থেকে অনেক কম হিংসা হয়েছে এবারে। যদিও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাণ গিয়েছে এবারও। তবে এর মাঝেই ২০২১ সালের হিংসায় নির্যাততি বিজেপি কর্মীরা পেলেন বড় স্বস্তি। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমে। ২০২১ সালে বিজেপি কর্মীদের থেকে নেওয়া 'জরিমানা' ফেরাল তৃণমূল।

অভিযোগ, ২০২১ সালে বীরভূমের ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ফিরে যেতে ৫০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত তোলাবাজি করেছিল তৃণমূল। তবে রাজ্যে পালাবদল হতেই সেই টাকা ফিরিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল। রিপোর্ট অনুযায়ী, শান্তিনিকেতনের ১১টি বিজেপি পরিবারকে ইতিমধ্যে টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। এই তোলাবাজির জন্য অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মামন শেখ ও ওই অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত আলেখ শেখের বিরুদ্ধে। তারা তৃণমূল বিধায়ক কাজল শেখের ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছিল।
এদিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আসতেই শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে তোলাবাজি বা চাঁদাবাজির কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক রং না দেখে ব্যবস্থা নিতে হবে। এই আবহে তোলাবাজি করা তৃণমূল কর্মীরা আগেভাগেই টাকা ফিরিয়ে দিচ্ছে। জনা গিয়েছে, ব্যবসা বা আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করে বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ফেরার জন্য 'জরিমানা' নির্ধারিত হত। তাঁদের কেউ কেউ কেউ ছ’মাস, কেউ বা এক বছরের বেশি সময় ধরে বাড়ির বাইরে ছিলেন। শুধু ২০২১ সাল নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের পরও অনেকে বাড়িছাড়া হয়েছিলেন এবং অভিযোগ, তাঁদের থেকেও এই তথাকথিত জরিমানা নিয়েছিল তৃণমূল আশ্রিত তোলাবাজরা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


