Pratik Ur Rahaman: 'আঙুর ফল টক'? দলবদল করে টিকিট বা পেয়ে কী বলছেন প্রতীক উর রহমান?
প্রতীক উরের বক্তব্য, 'অনেকে রটিয়েছিল আমি প্রার্থী হব। আজ প্রমাণ হয়ে গেল আমি প্রার্থী হব বলে দলবদল করিনি। আমার একটাই দাবি ছিল প্রার্থী হব না, দল আমার কথা রেখেছে।'
সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন কয়েকদিন আগেই। সেই প্রতীক উর রহমানের নাম তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় ছিল না। এই আবহে প্রতীক উরের বক্তব্য, 'অনেকে রটিয়েছিল আমি প্রার্থী হব। আজ প্রমাণ হয়ে গেল আমি প্রার্থী হব বলে দলবদল করিনি। আমার একটাই দাবি ছিল প্রার্থী হব না, দল আমার কথা রেখেছে।' এদিকে নির্বাচনের সময় দলের হয়ে তিনি কাজ করে যাবেন বলে জানিয়েছেন প্রতীক উর রহমান। তাঁর কথায়, 'আমাকে যেভাবে ব্যবহার করবে, সেভাবে কাজ করব।'

একটি সংবাদমাধ্যমকে আবার প্রতীক উর বলেছেন, 'আমি রাজনীতিতে আনপ্রেডিক্টেবল হতে চেয়েছি।' এদিকে প্রার্থী তালিকা নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করতে গিয়ে প্রতীক উর রহমান বলেন, 'এই তালিকায় সর্বস্তরের মানুষ রয়েছেন। এটা স্বয়ংসম্পূর্ণ তালিকা। দূরদর্শিতার প্রমাণ রয়েছে তালিকায়।' এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি প্রতীক উর রহমান যখন অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন, তখন অনেকেই মনে করেছিলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি টিকিট পাচ্ছেনই। এমনকী তাঁর 'সম্ভাব্য আসন' নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই সব কিছুই হল না।
এদিকে দলবদলের সময় সিপিএমের একটা বড় অংশ বারবার বলেছিল, টিকিটের জন্যই তৃণমূলে গিয়েছেন প্রতীক উর রহমান। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন প্রতীক উর নিজে। তিনি জানান, দলীয় নির্দেশ মেনে সংগঠনের কাজে মন দিতে চান তিনি। এই আবহে প্রতীক উরকে নিয়ে তৃণমূলের 'পরিকল্পনা' নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। এদিকে প্রতীক উরের জন্য তৃণমূলে যোগদান 'আঙুর ফল টক' নাকি 'সবুরে মেওয়া ফলবে', তা বলবে সময়ই। সিপিএম ত্যাগ করার সময় প্রতীক উরের সবথেকে বড় অভিযোগ ছিল, দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা 'কাজ' করতে দিচ্ছেন না। সিপিএমে থাকলে প্রতীক যে টিকিট পেতেন, তা এক প্রকার নিশ্চিতও ছিল। তবে তাতে 'জয়' আসত কি না, তা নিয়ে প্রতীক উর নিজেই প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন কথায়, আঙ্গিকে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলে সংগঠনে কাজ করে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে দীর্ঘস্থায়ী করাই হয়ত প্রতীক উরের পরবর্তী 'টার্গেট'।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


