Rajarhat-New Town accident: রাজারহাট-নিউ টাউনে কী হচ্ছে? গণস্বাক্ষর সংগ্রহ হল, ডেপুটেশন যাবে সরকারের কাছে
নিউ টাউন ও রাজারহাট সংলগ্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ার অভিযোগ তুলে নাগরিক মঞ্চের তরফে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচির আয়োজন করা হল। রাজারহাট-নিউ টাউনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সেই গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
নিউ টাউন ও রাজারহাট সংলগ্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ার অভিযোগ তুলে নাগরিক মঞ্চের তরফে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচির আয়োজন করা হল। রাজারহাট-নিউ টাউনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সেই গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 'নাগরিক অধিকার রক্ষা মঞ্চ- রাজারহাট'-র পক্ষ থেকে উত্তর ২৪ পরগনা গ্রামীণ ২-র কংগ্রেসের মহিলা সভানেত্রী তুলিকা অধিকারী জানিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের তরফে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। সাধারণ মানুষই নিজেদের স্বার্থে এরকম কর্মসূচির আয়োজন করেছেন। যা আগামিদিনেও চলতে থাকবে।

তিনি জানিয়েছেন, নিউ টাউনের প্রত্যেক বাসিন্দা এবং এই রুটে যাতায়াতকারী হাজার-হাজার সাধারণ মানুষের প্রাণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দিনের পর দিন গাড়ির বেপরোয়া গতি এবং ট্র্যাফিক অব্যবস্থার কারণে যেভাবে প্রাণহানি ঘটছে, তাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চূড়ান্ত আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
'নাগরিক অধিকার রক্ষা মঞ্চ- রাজারহাট'-র তরফে বলা হয়েছে, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন মানুষের প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা আমাদের সকলকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসে এই গণস্বাক্ষরে অংশগ্রহণ করেছেন। নিরাপদ রাস্তা নাগরিকের অধিকার এই অধিকার আদায়ের দাবিতেই আমাদের একজোট হওয়া।’
সেইসঙ্গে নাগরিক মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে, প্রশাসন যাতে অত্যন্ত দ্রুত এই বিপজ্জনক পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান করে, সেই লক্ষ্যেই একটি গণ-ডেপুটেশন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। নাগরিক মঞ্চের তরফে কাশেম গাজি, আমিন গাজি, মিনহাজ উদ্দিন, জাহির ফিরদৌস, সৌরদীপ সরকাররা জানিয়েছেন যে আগামিদিনে আরও একাধিক জায়গায় গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হবে। তারপর দেওয়া হবে গণ-ডেপুটেশন।
আর সেই কর্মসূচি নিয়ে রাজারহাটের এক বাসিন্দা বলেছেন, ‘আমরা আর কত মৃত্যু দেখব? প্রশাসনের ঘুম ভাঙাতে আজ আমাদের রাস্তায় নামতে হয়েছে। নিরাপদ যাতায়াত আমাদের অধিকার, আর সেই অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।’ তারইমধ্যে নাগরিক মঞ্চের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে আজ এই কর্মসূচির প্রথম দফা সম্পন্ন হল। আগামিদিনে এই আন্দোলন আরও বৃহত্তর রূপ নেবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


