Janakalyan camps: পুজোর আগেই বড় সুবিধা, শুক্রবার থেকে রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবির! এক ছাতার তলায় মিলবে ২০ প্রকল্পের পরিষেবা
এই শিবিরের মূল উদ্দেশ্য, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে যাতে দফতরের দরজায় বার বার ঘুরতে না হয়, সেই ব্যবস্থা করা। শিবিরে এসে সরাসরি বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য এবং নথি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সরকারি আধিকারিকরা সহায়তা করবেন।
Janakalyan camps: পুজোর মরসুমের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজে পৌঁছে দিতে রাজ্যজুড়ে শুরু হতে চলেছে বিশেষ জনকল্যাণ শিবির। শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ব্লকে তিন দিনের এই শিবির চলবে। কলকাতার ১৬টি বরোতেও একই সঙ্গে বসবে বিশেষ সহায়তা কেন্দ্র। নাম দেওয়া হয়েছে সেবা সেতু অভিযান।

এই শিবিরের মূল উদ্দেশ্য, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে যাতে দফতরের দরজায় বার বার ঘুরতে না হয়, সেই ব্যবস্থা করা। শিবিরে এসে সরাসরি বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য এবং নথি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সরকারি আধিকারিকরা সহায়তা করবেন। ফলে এক জায়গা থেকেই একাধিক পরিষেবার জন্য আবেদন করার সুযোগ মিলবে।
জানা গিয়েছে, এবারের জনকল্যাণ শিবিরে মোট ২০টি কেন্দ্রীয় জনকল্যাণ প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে কাজ হবে। এর মধ্যে রয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, পিএম কিষান ক্রেডিট কার্ড এবং পিএম কিষান স্বনিধির মতো প্রকল্প। যাঁরা এখনও এই প্রকল্পগুলির জন্য আবেদন করেননি, তাঁরা শিবিরে গিয়ে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
কলকাতায় এই পরিষেবা আরও ছড়িয়ে দিতে দুটি ওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে একটি করে বিশেষ সহায়তা শিবির খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবির চালু থাকবে। বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থেকে আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য দেবেন এবং ফর্ম পূরণে সাহায্য করবেন। পাশাপাশি কয়েকটি ব্যাঙ্কের তরফেও কাউন্টার রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিবিরে ভিড় সামলানো নিয়েও আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার তরফে প্রতিটি কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য লালবাজারকে জানানো হয়েছে। তিন দিন ধরে বিভিন্ন প্রকল্পের আবেদন জমা পড়ায় ভিড় বাড়তে পারে বলেই এই ব্যবস্থা বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
বিশেষ করে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন ঘিরে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পুরকর্মীদের একাংশ। এই প্রকল্পের ফর্ম পূরণ করতে বহু মানুষ শিবিরে আসতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট কাউন্টারগুলিতে যাতে দীর্ঘ অপেক্ষা না হয় এবং আবেদন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়, সে দিকে বিশেষ নজর রাখার কথা ভাবা হয়েছে।
রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় শিবিরের খবর মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বিধায়কদেরও কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে নিজেদের এলাকার শিবির সম্পর্কে আগেই জানতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছতে পারেন, তার জন্য প্রচারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন সামনে থাকায় এই কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে অবশ্য এটিকে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ হিসাবেই তুলে ধরা হয়েছে।
সব মিলিয়ে শুক্রবার থেকে তিন দিনের জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বসতে চলেছে এই বিশেষ পরিষেবা শিবির। একই জায়গায় একাধিক প্রকল্পের আবেদন এবং সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকায় সাধারণ মানুষের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে শিবিরে ভিড় কতটা সামলানো যায় এবং আবেদনকারীরা কত দ্রুত পরিষেবা পান, সেটিই এখন দেখার।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


