Ritabrata Banerjee Chair Row: বিধানসভায় মমতার চেয়ারে বসতে আপত্তি ঋতব্রতর, চাইলেন বর্ষীয়ান এক বাম নেতার পুরোনো চেয়ার

তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়েও ঋতব্রত এখন তৃণমূলের পরিষদীয় দলের নেতা। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার কক্ষে প্রবেশের পরে এহেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি নির্দিষ্ট একটি চেয়ার নিয়ে আপত্তি জানান। সেই চেয়ারটি কোথায় থাকবে এবং কে ব্যবহার করবেন, তা নিয়েই তৈরি হয় জটিলতা।

Published on: Jun 4, 2026, 08:15:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিধানসভায় ‘চেয়ার-কাণ্ড’ ঘিরে নতুন বিতর্ক। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদক্ষেপে ছড়িয়েছে জল্পনা। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিধানসভার অন্দরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে ঘটেছে ঘটনাটি। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়েও ঋতব্রত এখন তৃণমূলের পরিষদীয় দলের নেতা। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার কক্ষে প্রবেশের পরে এহেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি নির্দিষ্ট একটি চেয়ার নিয়ে আপত্তি জানান। সেই চেয়ারটি কোথায় থাকবে এবং কে ব্যবহার করবেন, তা নিয়েই তৈরি হয় জটিলতা। বিষয়টি প্রথমে প্রশাসনিক স্তরে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরে তা রাজনৈতিক গুরুত্ব পেতে শুরু করে। জানা গিয়েছে, বিরোধী দলনেতার কক্ষে ঋতব্রতর জন্য যে চেয়ার রাখা হয়েছিল, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছিল। এবং তা শুনেই তাতে বসতে আপত্তি জানান বিরোধী দলনেতা। সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক সুর্যকান্ত মিশ্রর চেয়ার আনতে বলেন তিনি।

মমতার চেয়ারে বসতে আপত্তি ঋতব্রতর, চাইলেন সূর্যকান্তর পুরনো চেয়ার (Hindustan Times)
মমতার চেয়ারে বসতে আপত্তি ঋতব্রতর, চাইলেন সূর্যকান্তর পুরনো চেয়ার (Hindustan Times)

বিধানসভার কর্মীদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথাবার্তাও হয় ঋতব্রতের। সূত্রের খবর, তিনি যে আসনে বসতে চেয়েছিলেন, তা নিয়ে কিছুক্ষণ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে বিধানসভার কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে ঘটনাটি ঘিরে উপস্থিত বিধায়ক এবং কর্মীদের মধ্যেও কৌতূহল দেখা যায়। সই-সংক্রান্ত বিতর্ক এবং মমতার দলকে কার্যত হাইজ্যাক করার ঘটনায় বাংলার রাজনীতিতে ঝড় উঠেছে। সেই প্রেক্ষাপটে চেয়ার নিয়ে এই ঘটনাও নতুন মাত্রা যোগ করে।

বিষয়টি শুধুমাত্র একটি আসন বা চেয়ারকে কেন্দ্র করে নয়, বরং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ঋতব্রতের অবস্থান এবং তাঁর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এই ঘটনাকে মিলিয়ে দেখছেন অনেকেই। ঘটনার পর বিধানসভার অন্দরে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও চেয়ার নিয়ে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিকভাবেই মিটে যায়, তবু তা রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে কি না, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে বিধানসভার এই ‘চেয়ার-কাণ্ড’ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে। তবে মমতার চেয়ারে না বসতে চাইলেন পরিষদীয় দলের 'পরামর্শদাতা' হিসেবে এখনও পর্যন্ত মমতাকেই চাইছেন ঋতব্রতরা।

উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনে ৮০টি আসনে জয়ী হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হেরে যান। এরপরে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন মমতা। তবে সেই প্রস্তাবের পক্ষে নাকি যে সই সংগ্রহ করা হয়েছিল, তার মধ্যে ১৩ জন বিধায়ক সেদিন উপস্থিত ছিলেন না। অর্থাৎ, সেই সই 'জাল' করা হয়েছিল। আবার প্রস্তাবটি ১৯ মে গ্রহণ করা হলেও রেজোলিউশনে উল্লেখিত তারিখ ছিল '৬ মে'। এই সব নিয়ে ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহা স্পিকারের কাছে নালিশ করেন। শুরু হয় সিআইডি তদন্ত। এরই মধ্যে তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক ঋতব্রতকে সমর্থন করেন। ৩ জুন বিধানসভায় ঋতব্রত এবং সন্দীপনের সঙ্গে বৈঠক হয় এই ৫৮ জনের। সেখানেই ঋতব্রতকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More