Reliance Investment in Bengal: রাস্তা, ফুডপার্ক, কয়লা থেকে কেবল স্টেশন- বাংলায় ৬ ক্ষেত্রে লগ্নির পথে রিলায়েন্স
Reliance Investment in Bengal: রাস্তা, ফুডপার্ক, কয়লা থেকে কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন- বাংলায় ছয় ক্ষেত্রে লগ্নির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করল আম্বানিদের রিলায়েন্স। নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, বিনিয়োগের সম্ভাবনা, শিল্প এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
Reliance Investment in Bengal: ফুডপার্ক থেকে কয়লা প্রকল্প- একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করল রিলায়েন্সের প্রতিনিধি দল। সূত্রের খবর, কোন কোন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা যায়, তা নিয়ে আজ নবান্নের বৈঠকে ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্তা-সহ রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। রিলায়েন্সের তরফে ২০ জন ছিলেন। বৈঠকে নতুন করে বিনিয়োগের পাশাপাশি রাজ্যে রিলায়েন্সের যে যে প্রকল্প আছে, তার সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

রাস্তা থেকে হাসপাতাল- কোন ৬টি ক্ষেত্রে জোর?
রাজ্য সরকারের এক শীর্ষ আমলা জানিয়েছেন, প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে মূলত ছ'টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যে তালিকায় আছে ডেন্টা সেন্টার ও AI ক্লাউড সার্ভিসেস, আন্তর্জাতিক কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন, কয়লার গ্যাসীয়করণ প্রকল্প, ফুডপার্ক, রাস্তার পরিকাঠামো সংক্রান্ত প্রকল্প এবং একটি মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতাল। আলোচনায় উঠে এসেছে একটি মেডিক্যাল কলেজের কথাও।
পশ্চিমবঙ্গে রিলায়েন্সের বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও কাজ
১) ইতিমধ্যে রাজারহাটের সিলিকন ভ্যালিতে রিলায়েন্সের ডেটা সেন্টার তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।
২) সূত্রের খবর, আজকের বৈঠকে উত্তরবঙ্গে ফুডপার্ক এবং দেউচা-পাচামি কয়লা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
৩) আলোচনায় দিঘার আন্তর্জাতিক কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের বিষয়টিও। সূত্রের খবর, এমনিতে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় রিলায়েন্স জিয়োর তরফে সমুদ্রের তলায় কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সেই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা আছে। তার ফলে ইন্টারনেট সংযোগ আরও ভালো হবে। বৃদ্ধি পাবে ডেটা ট্রান্সফারের স্পিড।
৪) সূত্রের খবর, পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভট পার্টনারশিপ) মডেলে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আম্বানিদের বৈঠকের দেড় সপ্তাহের মধ্যে নবান্নে মিটিং
আর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে আম্বানি পরিবারের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাতের পরই। গণেশ পুজোর আবহে গত ২১ সেপ্টেম্বরে মুম্বইয়ে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি এবং তাঁর ছেলে অনন্তের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে রিলায়েন্সের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাংলায় বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশও করেন আম্বানিরা। আর সেই বৈঠকের দেড় সপ্তাহের মধ্যেই নবান্নে বৈঠক করে গেল রিলায়েন্সের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


