₹34 Crore Rice Scam: ৩৪ কোটির সরকারি চাল কেলেঙ্কারিতে পুলিশের জালে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ রাইস মিল মালিক রাজীব ভট্টাচার্য
৩৪ কোটি টাকার সরকারি চাল পাচার ও আত্মসাতের অভিযোগে আহমদপুর এলাকার রাইস মিল ব্যবসায়ী এবং অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন ব্যবসায়িক সহযোগী চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ও।
সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে বীরভূমে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। প্রায় ৩৪ কোটি টাকার সরকারি চাল পাচার ও আত্মসাতের অভিযোগে আহমদপুর এলাকার রাইস মিল ব্যবসায়ী এবং অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন ব্যবসায়িক সহযোগী চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ও। বুধবার আহমদপুরের একটি রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে দু’জনকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ ও খাদ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সাঁইথিয়া থানায় দুটি এবং পুরুলিয়ার পারা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, মোট প্রায় ১১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন সরকারি চাল নির্ধারিত গুদামে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। বর্তমান বাজারদরে যার মূল্য প্রায় ৩৪ কোটি টাকা।
তদন্তে জানা যায়, রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে কেনা ধান বিভিন্ন রাইস মিলে পাঠানো হয়েছিল চাল তৈরির জন্য। নিয়ম অনুযায়ী সেই চাল পরে সরকারি গুদামে জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমাণ চালের কোনও হদিস পাওয়া যায়নি। খাদ্য দপ্তরের একটি বিশেষ দল মিলগুলি পরিদর্শনে গিয়ে খতিয়ে দেখে যে, নথিতে যে পরিমাণ চাল মজুত থাকার কথা উল্লেখ রয়েছে, বাস্তবে তার অস্তিত্ব নেই। একাধিক নোটিস পাঠানো হলেও সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
খাদ্য দপ্তরের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করে। সেই মামলাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজীব ভট্টাচার্য এবং চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়কে। রাজীব ভট্টাচার্যের নাম অতীতেও আলোচনায় এসেছে। একসময় তিনি বীরভূমের প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিভিন্ন তদন্তেও তাঁর নাম উঠে এসেছিল। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালতে কোনও চূড়ান্ত রায় হয়নি।
তদন্তে আরও কিছু অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। খাদ্য বণ্টন ব্যবস্থা এবং চাল সরবরাহ সংক্রান্ত একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই ঘটনার সঙ্গে আরও ব্যক্তি বা সংস্থার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে বীরভূমের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


