Sandip Ghosh Update: আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে বেআইনি নির্মাণ, ভেঙে ফেলার নির্দেশ কলকাতা পুরসভার
অভিযোগ, সন্দীর ঘোষের বাড়ির ছাদে অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়েছে এবং বাউন্ডারি ওয়াল বাড়িয়ে একটি ম্যানহোল ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই কেএমসি ভবন বিভাগের তরফে বাড়ির মালিক বা প্রতিনিধিকে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে।
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। অভিযোগ, বাড়ির ছাদে অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়েছে এবং বাউন্ডারি ওয়াল বাড়িয়ে একটি ম্যানহোল ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই কেএমসি ভবন বিভাগের তরফে বাড়ির মালিক বা প্রতিনিধিকে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে।

কেএমসি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িটির অনুমোদিত নকশা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কোথাও পরিকল্পনা বহির্ভূত নির্মাণ হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা হবে। বোরো-৩ এলাকার ইঞ্জিনিয়ারদের একটি দল প্রাথমিক পরিদর্শনও করেছে। তদন্তে মূলত ছাদের উপর তৈরি কাঠামো এবং অতিরিক্ত অংশগুলির বৈধতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই আবহে সন্দীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী ডাক্তার সঙ্গীতা ঘোষের মালিকানাধীন একটি বাড়ির ছাদে তৈরি হওয়া বেআইনি ‘পারগোলা’ আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন পুরসভার স্পেশাল অফিসার (বিল্ডিং) এস বোরাল।
রিপোর্ট অনুযায়ী, বেলেঘাটার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত ৮৩ নম্বর বদন রায় লেনে অবস্থিত সন্দীপ ঘোষের বাড়িটির। সেখানেই ছাদে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ করেছিলেন অংশুমান সরকার নামের এক জনৈক ব্যক্তি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি হয় কলকাতা পুরসভায়। গত ১৪ মে অনুষ্ঠিত সেই শুনানিতে নাকি সন্দীপ ঘোষ স্বীকার করে নেন যে পারগোলাটি বাড়ির কমপ্লিশন প্ল্যান-এ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এই আবহে শুনানির পরে সেই বেআইনি অংশটি ভাঙার নির্দেশ জারি করে পুরসভা।
উল্লেখ্য, আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক অনিয়ম মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে আসে। পরবর্তীতে সিবিআই তদন্তে তাঁর একাধিক সম্পত্তির তথ্যও উঠে আসে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারও আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ইডির মামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


