Sealdah & Kolkata Station: কলকাতার রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর, অবৈধ দোকান উচ্ছেদের পরে স্টেশনে আসছে ভ্রাম্যমাণ ফুড স্টল

রেল সূত্রে খবর, স্টেশনের প্রবেশপথ বা নির্দিষ্ট এলাকায় চুক্তির ভিত্তিতে খাবারের স্টল বসানোর অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এগুলি সাধারণ দোকানের মতো স্থায়ী হবে না। বিশেষ ধরনের চলমান বা ভ্রাম্যমাণ স্টলের মাধ্যমে বিক্রেতারা ঘুরে ঘুরে খাবার বিক্রি করতে পারবেন। ফলে যাত্রীদের কাছে সহজেই খাবার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

Published on: Jun 22, 2026, 10:59:26 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রেলযাত্রীদের জন্য বড় উদ্যোগ নিতে চলেছে পূর্ব রেল। এবার স্টেশনে অপেক্ষার সময় বা যাত্রাপথে সহজেই মিলবে বিভিন্ন ধরনের খাবার। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে স্টেশন চত্বরে ভ্রাম্যমাণ ফুড স্টল চালু করার পরিকল্পনা করেছে পূর্ব রেল। এই স্টলগুলিতে সুলভ মূল্যে খাবার পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।

রেলযাত্রীদের জন্য বড় উদ্যোগ নিতে চলেছে পূর্ব রেল।
রেলযাত্রীদের জন্য বড় উদ্যোগ নিতে চলেছে পূর্ব রেল।

রেল সূত্রে খবর, স্টেশনের প্রবেশপথ বা নির্দিষ্ট এলাকায় চুক্তির ভিত্তিতে খাবারের স্টল বসানোর অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এগুলি সাধারণ দোকানের মতো স্থায়ী হবে না। বিশেষ ধরনের চলমান বা ভ্রাম্যমাণ স্টলের মাধ্যমে বিক্রেতারা ঘুরে ঘুরে খাবার বিক্রি করতে পারবেন। ফলে যাত্রীদের কাছে সহজেই খাবার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

রেলের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে স্টেশনে খাবারের বিকল্প আরও বাড়বে। একই সঙ্গে যাত্রীদের কম দামে মানসম্মত খাবার দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। খাবারের গুণমান, স্বাস্থ্যবিধি এবং পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে কোনও রকম আপস করা হবে না। প্রতিটি বিক্রেতাকে রেলের নির্ধারিত নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে হবে।

প্রাথমিকভাবে কলকাতা স্টেশন এবং শিয়ালদহ স্টেশনে দুটি ভ্রাম্যমাণ ফুড স্টল চালু করা হবে। প্রকল্পটি সফল হলে ধীরে ধীরে পূর্ব রেলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনেও এই পরিষেবা চালু করা হবে। তবে স্টল পরিচালনার জন্য বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রথমত, কোনও বিক্রেতাকে বৈধ লাইসেন্স থাকতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া কেউ এই ধরনের স্টল পরিচালনা করতে পারবেন না। দ্বিতীয়ত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। খাবারের প্যাকেট, প্লাস্টিক বা অন্যান্য আবর্জনা যাতে স্টেশন চত্বরে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে বিক্রেতাদের।

এছাড়াও যাত্রীদের চলাচল বা ট্রেনে ওঠানামার ক্ষেত্রে কোনও রকম বাধা তৈরি করা যাবে না। স্টলগুলি এমনভাবে পরিচালনা করতে হবে যাতে ভিড় বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়। নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। রেল জানিয়েছে, ভ্রাম্যমাণ স্টলগুলিকে নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যেই চলাচল করতে হবে। স্টেশনের সর্বত্র ঘোরাফেরার অনুমতি দেওয়া হবে না। যাত্রীদের সুবিধা এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই নিয়ম তৈরি করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য এই স্টল পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, যাত্রীদের উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে পূর্ব রেলের এই নতুন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন অনেকে। স্টেশনে অপেক্ষার সময় এবার পছন্দের খাবার হাতের কাছেই পাওয়ার সুযোগ মিলবে বলে আশাবাদী রেলযাত্রীরা।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More