WB Winter Weather Forecast till 27th Jan: সরস্বতী পুজোয় ঘামতে হবে! জাঁকিয়ে শীতের আশা শেষ বাংলায়? কোন কোন জেলায় কুয়াশা?
আপাতত পশ্চিমবঙ্গের শীতের আমেজ অনেকটাই ফিকে হয়ে গিয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম লাগোয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরেই পশ্চিমবঙ্গের কপাল পুড়েছে। উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত পড়ার আশা কি শেষ হয়ে গেল? একেবারে হলফ করে কেউ না বললেও সেরকমই আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। আবহবিদরা জানিয়েছেন, উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম লাগোয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরেই পশ্চিমবঙ্গের কপাল পুড়েছে। উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। আর সেটার ফল যা হওয়ার, সেটাই হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ফিকে হয়েছে শীতের আমেজ। ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পারদ। দিনের বেলা তো বেশ গরম-গরমই লাগছে। গভীর রাত বা ভোরের দিকে কিছুটা ঠান্ডা মালুম হচ্ছে। আর সেই পরিস্থিতি থেকে কবে ফের নতুন করে পারদ পতন হবে বা কিছুটা জাঁকিয়ে শীত পড়বে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

কেমন থাকবে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া?
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সব জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। শুষ্ক থাকবে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার (কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) আবহাওয়া।
সরস্বতী পুজোয় ঘামতে হতে পারে
শুধু তাই নয়, আগামী এক সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ বা দক্ষিণবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। এমনকী যাঁদের একটু বেশি গরম লাগে, সরস্বতী পুজোয় (২৩ জানুয়ারি এবং ২৪ জানুয়ারি) তাঁদের ঘামতেও হতে পারে। বরং আবহবিদরা জানিয়েছেন যে অভাবনীয় কিছু না হলে আগামী এক সপ্তাহে অল্পবিস্তর হলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা চড়তে পারে। আর সেই আবহে আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গ বা দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়নি।
কোন কোন জেলায় কুয়াশা পড়বে?
বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার, রবিবার এবং সোমবার উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়বে। ভোরের দিকেই কুয়াশা থাকবে। বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। আর বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। কোনও জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়নি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


