Shantanu Sinha Biswas Update: সোনা পাপ্পুর জমি মাফিয়া চক্রে যুক্ত আরও পুলিশকর্মী, জানা গেল শান্তনুকে জেরা করে

জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং আর্থিক তছরুপকে কেন্দ্র করে একটি সংগঠিত চক্র কাজ করত। অভিযোগ, ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সোনা পাপ্পু, প্রাক্তন ডিসিপি শান্তনু সিংহ বিশ্বাস এবং ব্যবসায়ী জয় কামদার। তদন্তে উঠে এসেছে, বয়স্ক বা অসহায় জমির মালিকদের ভয় দেখিয়ে কম দামে জমি বিক্রি করতে বাধ্য করা হত।

Published on: May 26, 2026, 09:17:36 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Shantanu Sinha Biswas Update: সোনা পাপ্পু মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসিপি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে জেরা করে এবার আরও বড় চক্রের হদিশ পেয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে এসেছে কলকাতা পুলিশের আরও প্রায় ৩০ জন আধিকারিকের নাম। সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং আর্থিক তছরুপকে কেন্দ্র করে একটি সংগঠিত চক্র কাজ করত। অভিযোগ, ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার, প্রাক্তন ডিসিপি শান্তনু সিংহ বিশ্বাস এবং ব্যবসায়ী জয় কামদার। তদন্তে উঠে এসেছে, বয়স্ক বা অসহায় জমির মালিকদের ভয় দেখিয়ে কম দামে জমি বিক্রি করতে বাধ্য করা হত। পরে সেই জমিতে নির্মাণ ব্যবসা চলত।

জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং আর্থিক তছরুপকে কেন্দ্র করে একটি সংগঠিত চক্র কাজ করত।
জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং আর্থিক তছরুপকে কেন্দ্র করে একটি সংগঠিত চক্র কাজ করত।

ইডি সূত্রে খবর, তদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কয়েকটি মোবাইল ফোনও। যদিও সেখান থেকে চ্যাট, কল রেকর্ডিং-সহ নানা তথ্য মুছে ফেলা হয়েছিল বলে দাবি। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে সেই তথ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন বলে দাবি, শান্তনু বিশ্বাসের দুবাইতেও সম্পত্তি থাকতে পারে। সেই সম্পত্তির উৎস এবং অর্থের লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি একটি বিশেষ ডায়েরিও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, যেখানে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন ও উপহারের উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ, জমি দখলের কাজে সহযোগিতার বিনিময়ে কিছু পুলিশ আধিকারিককে উপহার বা টাকা দেওয়া হত।

উল্লেখ্য, গত ১৪ মে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে ইডি। এরপর কলকাতা পুলিশও তাঁর বর্ধিত দায়িত্বের মেয়াদ বাতিল করে। সোনা পাপ্পু মামলায় ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রসঙ্গত, ১৯ এপ্রিল শান্তনুর বালিগঞ্জ ফার্ন রোডের বাড়িতে হাজির হন ইডির অফিসাররা। ইডির আধিকারিকরা জানান, বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর মামলা সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় সেই অভিযান চালানো হয়। পরে ইডির একাধিক তলব এড়িয়ে যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস করা হয়েছিল। এই আবহে ১৪ মে শেষ পর্যন্ত ইডির অফিসে হাজির হন শান্তনু। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা জেরা করার পরে সেই রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।

অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে মিলে নাকি প্রভাব খাটিয়ে তোলাবাজি করতেন শান্তনু। এর আগে জয় কামদারকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অতীতেও তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সময় তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, জয়ের বাড়ি থেকে মোট ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিলেন কেন্দ্রীয় অফিসাররা। পরে সোনা পাপ্পুকেও গ্রেফতার করে ইডি। সোনা পাপ্পুর তৈরি করা একাধিক বেআইনি বিল্ডিং ভেঙে ফেলার জন্য পদক্ষেপ করছে পুরসভা।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More