Siliguri Mahakal Mandir: বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি, ১২ জ্যোতির্লিঙ্গের প্রতিরূপ- শিলিগুড়ির মন্দিরে কী কী থাকছে?

শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হল। যেখানে বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি থাকবে। ভারতের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের প্রতিরূপ থাকবে বলেও জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Published on: Jan 16, 2026 5:07 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি থাকবে, দেখা যাবে ভারতের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের প্রতিরূপ- আগামিদিনে শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দির পুরো বিশ্বের দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠবে বলে আশাপ্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী আশাপ্রকাশ করেন, ‘আগামিদিনে আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠবে শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দির।’ সেইসঙ্গে তিনি জানান, শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দির তৈরি করতে মোটামুটি দুই থেকে আড়াই বছর লাগবে।

শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের বিশেষ-বিশেষ বিষয়

১) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মন্দিরের সীমানা বরাবর ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির থাকবে। ভারতের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের প্রতিরূপ থাকবে এখানে। সারা ভারতবর্ষ এখানে খুঁজে পাবেন। মন্দিরের দুটি প্রদক্ষিণ পথ থাকবে। যেখানে ১০,০০০ হাজার ভক্তের সমাগম হতে পারে।

২) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কমপ্লেক্সের মূল মন্দির ছাড়াও দর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও তৈরি করা হচ্ছে। ব্রোঞ্জের মূর্তির উচ্চতা হবে ১০৮ ফুট। সেই মূর্তিটি যে ভিত্তির উপরে থাকবে, সেটার উচ্চতাও ১০৮ ফুট হবে।

৩) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরে এক লাখ দর্শনার্থী আসতে পারবেন।

৪) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দোতলা মহাকাল মিউজিয়াম এবং সাংস্কৃতিক হল থাকবে। এই মন্দিরে দুটি নন্দীগৃহ থাকবে। যা পূর্ব ও পশ্চিম দিকে অবস্থান করবে।

৫) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিবালয়ের রীতি অনুযায়ী, শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের চার কোণে চারজন দেবতা থাকবেন। দক্ষিণ-পশ্চিমে গণেশ, উত্তর-পশ্চিমে কার্তিক, উত্তর-পূর্বে শক্তি এবং দক্ষিণ-পূর্বে বিষ্ণু-নারায়ণ থাকবেন।

৬) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দু'দিকে দুটি সভা মণ্ডপ থাকবে। ৬,০০০-র বেশি মানুষ একসঙ্গে বসতে পারবেন।

৭) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মন্দিরের দেওয়ালের গায়ে ভাস্কর্য হিসেবে থাকবে মহাকালের মহিমা এবং গরিমা। পাথরের শিল্প ফুটিয়ে তোলা হবে।

৮) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রুদ্রাক্ষ কুণ্ড এবং অমৃত কুণ্ডও থাকবে। যেখানে ভক্তরা পবিত্র অভিষেকের জল বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবেন।

৯) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মন্দিরের ভিতরে প্রসাদ বিতরণ কেন্দ্র, স্মারক, ক্যাফেটেরিয়া, ডালা কমপ্লেক্স, পুরোহিতদের জন্য থাকার ব্যবস্থা থাকবে।