SIR Naihati TMC Councilor Name Deleted: এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা থেকে নাম কাটল তৃণমূল কাউন্সিলর এবং তাঁর মায়ের
নৈহাটি পুরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার ও তাঁর মা আরতি সরকারের নামের ওপর 'ডিলিটেড' লেখা এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায়। এই আবহে তৃণমূলের তরফ থেকে তোপ দাগা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। 'বিজেপির দালাল' বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।
এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা থেকে নাম কাটল তৃণমূল কাউন্সিলর এবং তাঁর মায়ের। রিপোর্ট অনুযায়ী, নৈহাটি পুরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার ও তাঁর মা আরতি সরকারের নামের ওপর 'ডিলিটেড' লেখা এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায়। এই আবহে তৃণমূলের তরফ থেকে তোপ দাগা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। 'বিজেপির দালাল' বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।

একটি ফেসবুক পোস্টে এই ইস্যু নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে লেখা হয়েছে, 'নির্বাচন কমিশন আর কত নিচে নামবে? খসড়ার তালিকার পর চূড়ান্ত তালিকাতেও কারচুপি করে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে এই বিজেপির দালালরা! নৈহাটি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার এবং তাঁর মা আরতী সরকারের নাম ভোটার তালিকায় 'ডিলিট' চিহ্নিত করেছে কমিশন। কোন অজুহাতে? বিজেপির বেঁধে দেওয়া কোটির গণ্ডি পার করতে কি একের পর এক ভোটারের নাম এভাবে বাদ দেবে 'দালাল' কমিশন? নাকি আবারও বিএলও-দের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে হাত ধুয়ে ফেলবে?'
এদিকে এসআইআর পরবর্তী ভোটার তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ পড়ার পরে সাংবাদিক সম্মেলনে সুশান্ত সরকার জানান, তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং তিনি সেখানে গিয়ে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়ে এসেছিলেন। তবুও তাঁর এবং তাঁর মায়ের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই আবহে তিনি অভিযোগ করেছেন, বিজেপি পরিকল্পিত চক্রান্ত করে তাঁর এবং তাঁর মায়ের নাম বাদ দিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে।
উল্লেখ্য, এসআইআরে এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ পড়েছে ভোটার তালিকা থেকে। এর মধ্যে খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জন। এদিকে নাম জুড়েছে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার ভোটারের। তবে প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের নাম এখনও বিচারাধীন পর্যায়ে রয়েছে। তাদের নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে অধিকাংশকেই 'নো-ম্যাপিং' বা তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। এই সব ভোটারদের নাম তালিকায় শেষ পর্যন্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বিচারকদের দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই আবহে বিধানসভা ভোটের মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত ধাপে ধাপে ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


