SIR Special Observer in WB: এসআইআর নিয়ে বহু অভিযোগের মাঝে ভোটের জন্য বাংলায় বিশেষ অবজার্ভার পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন
মাইক্রো অবজার্ভাররা সতর্ক করলেও তা কানে তুলছেন না ইআরও-রা। এই আবহে অভিযুক্ত ইআরও-দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে নির্বাচন কমিশন। এরই সঙ্গে এসআইআর এবং আসন্ন ভোটের প্রশাসনিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার জন্য বাংলায় বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন।
এসআইআর নিয়ে ইআরও-দের বিরুদ্ধে উঠছে গুরুতর অভিযোগ। আবজারভাদের সতর্কবার্তা নাকি শুনছেন না ইআরও-রা। অভিযোগ উঠেছে, বহুক্ষেত্রে শুধু আধার বা প্যান কার্ড নিয়ে ভোটারের তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করছেন ইআরও-রা। যা নিয়ে মাইক্রো অবজার্ভাররা সতর্ক করলেও তা কানে তুলছেন না ইআরও-রা। এই আবহে অভিযুক্ত ইআরও-দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে নির্বাচন কমিশন।
এসআইআর এবং আসন্ন ভোটের প্রশাসনিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার জন্য বাংলায় বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। (PTI)
এরই মাঝে এসআইআর এবং আসন্ন ভোটের প্রশাসনিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার জন্য বাংলায় বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। ১৯৮৮ সালের ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার এন কে মিশ্রকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে নির্বাচন কমিশন এন কে মিশ্রকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৯৫০-এর ১৩সিসি ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবেন। উল্লেখ্য, কিন্তু এই প্রথমবার বাংলার ভোট প্রস্তুতির বুঝে নিতে অবজার্ভার পাঠানো হচ্ছে নয়াদিল্লি থেকে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের প্রশ্নের মুখে বাংলার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। যে সকল পদমর্যাদার আধিকারিকদের এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য চাওয়া হয়েছিল, তা যথা সময়ে না-পাওয়ায় সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জবাবদিহি করতে দিল্লিতে পৌঁছেছেন নন্দিনী চক্রবর্তী। কমিশনের অভিযোগের জবাবে নন্দিনী জানিয়েছেন, প্রশাসনিক পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে সময় মতো আধিকারিকদের এক কাজ থেকে অন্য কাজের জন্য স্থানান্তর করা যায়নি। এদিকে অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার বিষয়ে গড়িমসি করারও অভিযোগ উঠেছে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। তা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েন নন্দিনী।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সওয়াল করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে ৮ হাজারের বেশি মাইক্রো অবজার্ভার নিয়ে এসে নাকি নাম মোছা হচ্ছে ভোটার তালিকা থেকে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন বলে আখ্যা দেন। এদিকে নিবাচন কমিশন পালটা বলেন, রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত সরকারি আধিকারিকদের দিচ্ছে না, তাই বাধ্য হয়ে অন্য রাজ্য থেকে অফিসার মোতায়েন করতে হয়েছে তাদের। এরই মাঝে সুপ্রিম কোর্ট তাদের নির্দেশে জানিয়ে দেয়, ইআরও এবং এইআরও-রা নথি যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এই কারণে এসআইআরের সমসীমাও বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে এসআইআর-এর কাজে বাধা বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।
News/Bengal/SIR Special Observer In WB: এসআইআর নিয়ে বহু অভিযোগের মাঝে ভোটের জন্য বাংলায় বিশেষ অবজার্ভার পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন