WB SIR Super Checking Update: ২৫+১: 'সুপার চেকিং' শুরু SIR-এ, ইচ্ছা করে ভুল নথি আপলোড অফিসারদের? হবে শাস্তি
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। চলছে সুপার চেকিং। তারইমধ্যে আতসকাচের তলায় এসেছে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের ভূমিকা।
এসআইআরের (ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) ক্ষেত্রে এবার পশ্চিমবঙ্গে 'সুপার চেকিং' শুরু করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতরের সূত্রে খবর, জেলায়-জেলায় সুপার চেকিংয়ের কাজ করা হবে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি দলে ২৬ জন থাকছেন। একজন অবজার্ভারের পাশাপাশি ২৫ জন মাইক্রো অবজার্ভার থাকছেন সেই দলে। কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক শুনানি-পর্বে নথি জমা পড়েছে কিনা, সব নথিপত্র ঠিক আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। যদি দেখা যায় যে নির্ধারিত নথির বাইরে অন্য কিছু জমা পড়েছে, তাহলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে।

ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য আপলোড? অভিযোগ কমিশনে
এমনিতে এসআইআরের শুনানি-পর্বে যে নথি জমা পড়েছে, সেটার ক্ষেত্রে খোদ ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের (এইআরও) বিরুদ্ধে কমিশনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে কোনও কোনও আধিকারিক নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল নথি আপলোড করেছেন। সেই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নাম।
ইচ্ছাকৃত ভুল হলে কড়া শাস্তির পথে কমিশন
কমিশন সূত্রে খবর, বিশেষ পর্যবেক্ষকদের নজরে এসেছে এরকম ভুল। উত্তর কলকাতার একটি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে যেমন দেখা গিয়েছে যে শুনানি-পর্বে এক ভোটার পাসপোর্ট দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু আপলোড করা হয়েছে তাঁর আধার কার্ড এবং প্যান কার্ডের ছবি। আর সেই কাজটা ভুল করে নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে বলে রিপোর্ট দিয়েছেন পর্যবেক্ষক। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল হয়েছে নাকি অসাবধনতায় সেরকম ভুল হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে কমিশন। যদি প্রমাণিত হয় যে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করেছেন আধিকারিকরা, তাহলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন।
অত্যধিক কাজের চাপেই বদলি, দাবি রাজ্যের
তারইমধ্যে কমিশনকে চিঠি দিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে যে অত্যধিক কাজের চাপের জন্য এসআইআরে যুক্ত তিনজন আইএএস অফিসারকে ট্রান্সফার করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের কাজ মসৃণভাবে চালানোর জন্য এবং তাঁদের উপরে যে মারাত্মক কাজের বোঝা চেপে গিয়েছিল, সেখান থেকে রেহাই দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন।
আর নবান্নের তরফে সেই চিঠি দেওয়া হয়েছে কমিশনের কড়া বার্তার পরে। কমিশনের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে তাদের অনুমতি না নিয়েই কেন এসআইআরের কাজের দায়িত্ব থেকে তিন আইএএস অফিসারকে (যাঁরা পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করছিলেন) সরিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, অশ্বিনীকুমার যাদব (উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের দায়িত্বে ছিলেন), রণধীর কুমার (উত্তর ২৪ পরগনা ও উত্তর কলকাতার দায়িত্বে ছিলেন) এবং স্মিতা পান্ডেকে (পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন) বদলি করে দেয় নবান্ন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


