SIR Updates: এসআইআরে বাদ পড়াদের রেশন-অন্নপূর্ণা সুবিধা বন্ধ, হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা
পশ্চিমবঙ্গ খেতমজদুর সমিতির পক্ষ থেকে দায়ের হওয়া এই মামলায় রাজ্য সরকারের কাছে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ।
SIR Updates: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়া ব্যক্তিদের রেশন, অন্নপূর্ণা যোজনা-সহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ খেতমজদুর সমিতির পক্ষ থেকে দায়ের হওয়া এই মামলায় রাজ্য সরকারের কাছে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

মামলার শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র আদালতকে জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এসআইআর প্রক্রিয়ায় ঠিক কার কার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে কারা রেশন বা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন না, তা যাচাই করে রাজ্য সরকার আদালতকে বিস্তারিত জানাবে। এই সংক্রান্ত অনুসন্ধানের পর সরকার কী পদক্ষেপ করছে, তাও আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে তিনি জানান।
মামলাকারী সংগঠনের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এসআইআরের তথ্যের ভিত্তিতেই রেশন এবং অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাপ্রাপকদের তালিকা নির্ধারণ করা হবে। এর ফলে বিপুল সংখ্যক প্রান্তিক মানুষ, কৃষিশ্রমিক, দিনমজুর, পরিযায়ী শ্রমিক এবং মহিলারা সরকারি খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
তাদের দাবি, জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন, ২০১৩ অনুযায়ী যোগ্য প্রত্যেক নাগরিক স্বল্পমূল্যে খাদ্যশস্য পাওয়ার অধিকারী। তাই ভোটার তালিকা সংশোধনের ভিত্তিতে খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আইনের পরিপন্থী এবং নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী বলেও আদালতে দাবি জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার পর ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯১ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ পড়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই তালিকায় মৃত, অন্যত্র স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট এবং অন্যান্য কারণে অযোগ্য বলে চিহ্নিত ভোটারদের নাম রয়েছে। পাশাপাশি 'লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি' বা তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে আরও প্রায় ২৭ লক্ষ নাম ঝুলে রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এই শ্রেণির ভোটারদের অনেকেই ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং আবেদনকারীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে যাঁদের নাম সম্পূর্ণভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের একাংশ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের অধিকার রক্ষার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই রাজ্য সরকারের বক্তব্যের পর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর থাকবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


