TMC Congress Merger Speculation: কংগ্রেসে কি মিশছে TMC? মুখ খুললেন ঋতব্রত, মিটিং নিয়ে কী বললেন কুণাল? মুখ খুললেন অধীরও
Speculation on TMC Congress: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা তো এখানে তৃণমূল কংগ্রেস। আমরা তো মিশে যাচ্ছি না! আমরা রয়েছি তো তৃণমূল কংগ্রেস!’
কিছুদিন আগেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন দিল্লিতে ইন্ডি জোটের বৈঠকে অংশ নিতে। তার মাঝেই দিল্লিতে কার্যত তাঁর সংসদীয় টিমে ভাঙন দেখা যায়। এদিকে, সেই সময়ই রাজ্যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত ফিরহাদ হাকিম। এই ঋতব্রতকেই কিছুদিন আগে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল, সেই ঋতব্রত, বর্তমানে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের প্রথম সারির নাম। এমন পরিস্থিতিতে দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের পর রাহুল গান্ধী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেড়ঘণ্টা বৈঠক হয়। বহু মিডিয়া রিপোর্ট প্রশ্ন তুলছে, তাহলে কি কংগ্রেসেই মিশে যাবে তৃণমূল? এই প্রশ্নের সোজা সাপটা জবাব দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা তো এখানে তৃণমূল কংগ্রেস। আমরা তো মিশে যাচ্ছি না! আমরা রয়েছি তো তৃণমূল কংগ্রেস!’ এরই মাঝে বেশ কিছু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, কংগ্রেসের তরফে মমতা-অভিষেককে বড় পদও 'অফার' করা হয়েছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আবার এও শোনা গিয়েছে, অভিষেক দিল্লিতে থাকাকালীন সেখানে রওনা হন সায়নী ঘোষ ও মালা রায়। অন্যদিকে, মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, আজ কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিরলেও, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি বিমানবন্দরের কাছে এসেও নাকি ফিরে যান। এমন পরিস্থিতিতে সোনিয়া, মমতার বৈঠক বাংলার রাজনীতির জন্য কতটা তাৎপর্যবাহী ছিল বা অভিষেক- রাহুল বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা।
রাজ্য রাজনীতি ও তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের মধ্যেই, দিল্লিতে হওয়া হাইভোল্টেজ বৈঠক নিয়ে কুণাল ঘোষ মুখ খোলেন। কুণাল ঘোষ বলেন,' দিল্লিতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্ডিয়া ব্লকের মিটিংয়ে ছিলেন। দুই জন শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠক করেছেন। রাহুল গান্ধীর সাথে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের মিটিং হয়েছে। কংগ্রেস-তৃণমূল বৈঠক করেছে। ইন্ডিয়া ব্লক মানে কাছাকাছি আসা' তিনি আরও বলেন, ‘ যাঁরা বিজেপি ঘেঁসা হয়ে চলছে তাঁদের আচরণ বিজেপি পন্থী হয়ে গেছে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দলের প্রার্থী হিসাবে ভোট করে জিতে এসে এই কথা বলার মানে হয় না। ঘটনাচক্রে আজ বিরোধী আসনে তৃণমূল। কংগ্রেস ২০১৪ সাল থেকে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারলে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে পারত। আজ বিজেপি এই অবস্থা হত না।’ এদিকে, কংগ্রেসের তরফে অধীর চৌধুরী বলেন, ‘সনিয়া গান্ধি অত্যন্ত উদার মানসিকতার মানুষ, তিনি সবাইকে ক্ষমা করে দেন। আজ তৃণমূল কংগ্রেস যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা মূলত তাদের নিজেদের ভুলের ফল। দলীয় সংযুক্তি (মার্জার) হবে কি না, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না, সেটি শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিষয়।’
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


