SSC Class IX-X Teachers Recruitment: ‘লেট' হয়েই চলেছে SSC নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ, ভেরিফিকেশন আরও পরে হবে, কবে হতে পারে?
স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া আরও দেরিতে হবে। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার পরই চাকরিপ্রার্থীদের নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগের জন্য ভেরিফিকেশনে ডাকা হবে।
এসএসসি নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও জটে পড়ল। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ বাংলার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ফেব্রুয়ারির আগে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে না। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার পরই চাকরিপ্রার্থীদের নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগের জন্য ভেরিফিকেশনে ডাকা হবে। অর্থাৎ অপেক্ষা করতে হবে এখনও। আর আপাতত যা ইঙ্গিত মিলেছে, তাতে আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ-দ্বাদশের চূড়ান্ত মেধাতালিকা বা প্যানেল প্রকাশ করা হবে। তারপর মাসের শেষের দিক থেকে শুরু হবে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির আগে নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশন হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে না সংশ্লিষ্ট মহল। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে এসএসসির তরফে কিছু জানানো হয়নি।

এখনও নবম-দশমের নিয়োগ শেষ হতে অনেক সময় লাগবে
এমনিতে নিয়ম অনুযায়ী, ভেরিফিকেশনের পরে প্রার্থীদের ইন্টারভিউ এবং ডেমোস্ট্রেশন প্রক্রিয়া হবে। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশনের জন্য মোটামুটি দু'সপ্তাহ লেগেছিল। নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও বেশি সময় লাগতে পারে। তারপর ধাপে-ধাপে ইন্টারভিউ এবং ডেমোস্ট্রেশন হবে। তারপর প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত মেধাতালিকা বা প্যানেল। সেই প্যানেলে যে প্রার্থীদের নাম থাকবে, তাঁদের কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হবে। তারপর সুপারিশপত্র দেবে এসএসসি। আর সবশেষে মিলবে নিয়োগপত্র। ফলে চাকরি পেতে বেশ কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির প্রার্থীদের অতদিন অপেক্ষা করতে হবে না
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের চাকরিপ্রার্থীদের অবশ্য অতদিন অপেক্ষা করতে হবে না। ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই স্কুলে যোগ দিয়ে ফেলবেন এসএসসি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের প্রার্থীরা। চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যেই কাউন্সেলিং শুরু হয়ে যাবে। অর্থাৎ প্যানেলে যে প্রার্থীদের নাম থাকবে, তাঁদের স্কুল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া হবে।
সফল প্রার্থীরা নিজেদের পছন্দ মতো স্কুল বেছে নেওয়ার পরে তাঁদের সুপারিশপত্র দেবে এসএসসি। তারপর নিয়োগপত্র পেয়ে যাবেন প্রার্থীরা। আর কাউন্সেলিং থেকে নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়ার জন্য ১৫ দিনের মতো লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


