SSC Clerk and Group-D Exam Tips: নেগেটিভ মার্কিং থেকে রিভিশন- SSC শিক্ষাকর্মী পরীক্ষার মুখে কী কী করবেন? টিপস অফিসারের

এসএসসি (স্কুল সার্ভিস কমিশন) ক্লার্ক ও গ্রুপ ‘ডি’ নিয়োগের পরীক্ষা হবে কয়েকদিন পরেই। শেষমুহূর্তের প্রস্তুতি চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। তার আগে গুরুত্বপূর্ণ টিপস দিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গ্রুপ 'বি' অফিসার রিয়া সাহা।

Published on: Feb 24, 2026, 20:36:00 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বহু তপস্যা, অনেকদিনের অপেক্ষার পরে অবশেষে এসএসসি (স্কুল সার্ভিস কমিশন) ক্লার্ক ও গ্রুপ ‘ডি’ নিয়োগের পরীক্ষা হতে চলেছে। আগামী ১ মার্চ (রবিবার) হবে গ্রুপ ‘সি’ বা ক্লার্ক নিয়োগ প্রক্রিয়ার লিখিত পরীক্ষা। আর তার পরের রবিবার তথা ৮ মার্চ এসএসসির তরফে গ্রুপ ‘ডি’ নিয়োগ প্রক্রিয়ার লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। এতদিন পরে সেই দুটি পরীক্ষা হওয়ায় এমনিতেই প্রার্থীদের মধ্যে বাড়তি টেনশন কাজ করছে। শেষবেলায় কোনটা করতে হবে, কী হবে, সেটা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন অনেকেই। আর সেই পরিস্থিতি কীভাবে সামলাতে হবে, তা নিয়ে টিপস দিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গ্রুপ 'বি' অফিসার তথা প্রতিষ্ঠা এডুকেশন ইউটিউব চ্যানেলের (Pratistha Education) শিক্ষিকা রিয়া সাহা। এই সপ্তাহখানেক সময় কীভাবে কাজে লাগাতে হবে, কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে, তা নিয়ে পরামর্শ দিলেন তিনি।

এসএসসি (স্কুল সার্ভিস কমিশন) ক্লার্ক ও গ্রুপ ‘ডি’ নিয়োগের পরীক্ষা হবে কয়েকদিন পরেই। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
এসএসসি (স্কুল সার্ভিস কমিশন) ক্লার্ক ও গ্রুপ ‘ডি’ নিয়োগের পরীক্ষা হবে কয়েকদিন পরেই। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

একেবারে শেষমুহূর্তে কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে?

১) এটা রিভিশনের সময়: ছাত্র-ছাত্রীরা এতদিন ধরে পড়াশোনা করেছেন। এই শেষমুহূর্তে যেন তাঁরা নতুন করে কিছু শুরু না করেন। নতুন কোনও চ্যাপ্টারে ফোকাস না করেন। যেটুকু পড়েছেন, যেগুলো পড়েছেন, সেগুলো ঝালাই করে নেওয়ার উপর জোর দিতে হবে। অর্থাৎ এখন রিভিশন দিতে হবে প্রার্থীদের।

২) মকটেস্ট মাস্ট: মকটেস্টের উপরে জোর দিতে হবে। যাতে প্রতিদিন একটা মকটেস্ট দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা করতে হবে প্রার্থীদের। তারপর ভালোভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে মকটেস্টকে। কী কী ভুল হল, কোন কোন চ্যাপ্টারে ভুল হল, সেগুলো নোট করে রাখতে হবে, যাতে পরদিন রিভিশনের সময় সেই চ্যাপ্টার বা বিষয়গুলো আরও একবার দেখে নিয়ে নতুন করে মকটেস্ট দিতে পারেন। তাহলে প্রার্থীরা নিজেরাই বুঝতে পারবেন যে তাঁদের কতটা উন্নতি হচ্ছে।

৩) গুরুত্বপূর্ণ টপিক জেনে চোখ বুলিয়ে নেওয়া: কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক বা বিষয় আছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। সেগুলো চোখ বুলিয়ে দিতে হবে আরও একবার। আমি নিজে অঙ্ক ক্লাস নিই। তাছাড়া অন্যান্য বিষয়েরও গুরুত্বপূর্ণ টপিক উল্লেখ আছে আমাদের ইউটিউব পেজে।

৪) পরীক্ষার ২ দিন আগে কী করতে হবে? পরীক্ষার দু'দিন আগে এবং পরীক্ষার আগেরদিন নিয়মগুলো দেখে নিতে হবে। চোখ বুলিয়ে দেবে সূত্রগুলোয়। কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সটাও ঝালাই করে নিতে হবে।

৫) পর্যাপ্ত ঘুম লাগবে: পরীক্ষার আগেরদিন পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। যে কোনও পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে মাথা ঠান্ডা রাখা দরকার। সেজন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমোতে হবে। তাহলেই মাথা ঠান্ডা রেখে প্রার্থীরা ভালো করে পরীক্ষা দিতে পারবেন বলে আশা করছি।

৬) অ্যাডমিট কার্ড ও অন্যান্য নথি গুছিয়ে রাখা: পরীক্ষার আগেরদিনই অ্যাডমিট কার্ড ও অন্যান্য নথি গুছিয়ে রাখা উচিত, যাতে পরীক্ষার দিন কোনওরকম তাড়াহুড়ো না করতে হয়। তাড়াহুড়ো করলেই ভুলের আশঙ্কা থাকে।

পরীক্ষার দিন বা পরীক্ষার সময় কী কী জিনিয় মাথায় রাখবেন?

১) ওএমআর শিটে যেন ভুল না হয়: ওএমআর শিটে পরীক্ষা হবে। কেউ-কেউ ওএমআর শিট পূরণ করতে গিয়ে ভুল করে ফেলেন। সেটা যেন না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। প্রয়োজনে পেনসিল ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আগে পেনসিল দিয়ে হালকা করে টিক দিয়ে দিলেন। তারপর একবার চেক করে পেন দিয়ে পূরণ করে দিলেন শূন্যস্থান।

তবে সেক্ষেত্রে টাইম ম্যানেজমেন্টের একটা ব্যাপার থাকে। যথেষ্ট সময় আছে কিনা, সেটা বুঝে করতে হবে। আর যদি একেবারে পেন দিয়েই উত্তর দিতে চান, সেটাও পারেন। শুধু সতর্ক থাকতে হবে। খেয়াল করে ওএমআর শিট পূরণ করুন।

২) নেগেটিভ মার্কিং নেই: খুব গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টা। নেগেটিভ মার্কিং যেহেতু নেই, তাই প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আসবেন। অর্থাৎ পুরো ওএমআর শিট ফিল-আপ করবেন। উত্তর দেওয়ার টেকনিক আছে। এলিমিনেশনের মতো টেকনিক রয়েছে। সেরকমভাবেই না-জানা উত্তরগুলোও দিয়ে আসতে হবে। হতে পারে যে সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর ঠিক হয়ে গেল।

৩) হাতে সময় নিয়ে কাজ: পরীক্ষার দিন হাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ সময় নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। রাস্তাঘাটে কোথায় সমস্যা হবে। অনেক বছর পরে এই পরীক্ষা হচ্ছে। তাই কোনওভাবে যাতে সেই সুযোগ ফস্কে না যায়, সেই বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।

কাট-অফ কি কিছুটা বেশি থাকবে?

যে কোনও পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে কাট-অফ কত হতে পারে, কতগুলো প্রশ্নের উত্তর দেব। যেহেতু অনেক বছর পরে পরীক্ষা হচ্ছে, তাই প্রতিযোগিতা অনেকটাই বেশি হবে। অনেকেই অনেক বছর ধরে এই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে চলেছেন।

তবে কাট-অফ কত হবে, সেটা বোঝা যাবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মানের উপরে। প্রশ্নপত্র কেমন হয়েছে, তা দেখার পরে একটা আন্দাজ পাওয়া যাবে যে কাট-অফ কত হতে পারে। তাই এখন কাট-অফের উপরে ফোকাস না করে, সেটা নিয়ে বেশি মাথা না ঘামিয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে। নিজের সেরাটা দেব বলেই পরীক্ষার কেন্দ্রে যাওয়া উচিত প্রার্থীদের।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More