Dearness allowance: অবশেষে বকেয়া DA পাচ্ছেন শিক্ষক-অধ্যাপকরা! কবে? নবান্নতে পৌঁছল ফাইল

Dearness allowance: একদিকে যখন বিধানসভা ভোটকে কেন্দ্র করে সমগ্র বাংলা উত্তপ্ত, রাজনৈতিক প্রচার চলছে, তখন অন্যদিকে বিকাশ ভবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নবান্নে গিয়ে পৌঁছেছে।

Published on: Apr 18, 2026 1:11 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Dearness allowance: দীর্ঘ টালবাহানার পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মেটাতে কোমর বেঁধে নামল নবান্ন। শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই বিকাশ ভবন থেকে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত নথি এসে পৌঁছেছে নবান্নে, এখন শুধু টাকা রিলিজ করার পালা। যার আওতায় রয়েছেন অধ্যাপক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। স্কুলশিক্ষা দফতর ও উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে আলাদা আলাদা ভাবে বকেয়া ডিএ-র হিসাব শুরু করা হয়েছিল। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে থেকে অধ্যাপক ও অন্যান্য কর্মীদের কার, কত মহার্ঘ ভাতা প্রাপ্য, সেই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সমস্ত তথ্য জড়ো করে চূড়ান্ত হিসাব তৈরির পর তা নবান্নে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।

অবশেষে বকেয়া DA পাচ্ছেন শিক্ষক-অধ্যাপকরা!
অবশেষে বকেয়া DA পাচ্ছেন শিক্ষক-অধ্যাপকরা!

শীঘ্রই বকেয়া ডিএ পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা?

একদিকে যখন বিধানসভা ভোটকে কেন্দ্র করে সমগ্র বাংলা উত্তপ্ত, রাজনৈতিক প্রচার চলছে, তখন অন্যদিকে বিকাশ ভবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নবান্নে গিয়ে পৌঁছেছে। সূত্রের খবর, এই ফাইলেই রয়েছে বাংলার শিক্ষক থেকে শুরু করে শিক্ষাকর্মীদের ভাগ্যে কী আছে সেটা। নবান্নের সবুজ সঙ্কেত পেলেই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া ডিএ পেতে পারেন। বিকাশ ভবনের পাঠানো ফাইল অনুমোদন পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। জানা গিয়েছে, সিংহভাগ সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগীরা ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ পেয়ে গিয়েছেন। প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। কিন্তু এখনও বাকি রয়েছে শিক্ষা সমাজ। এবার শীঘ্রই হয়তো সকলের কপাল খুলতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নবান্নে গেল ফাইল

বকেয়া পাওয়ার তালিকায় আছেন অধ্যাপক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, সকলের নাম বেশ কিছু ধাপে সংগ্রহ করা হয়েছে। স্কুলশিক্ষা দফতর ও উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে আলাদা আলাদা ভাবে বকেয়া ডিএ-র হিসেব শুরু হয়েছিল। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে থেকে অধ্যাপক ও অন্যান্য কর্মীদের কার, কত মহার্ঘ ভাতা প্রাপ্য, সেই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এখন সেই সকল তথ্য এক জায়গায় এনে সেটা নবান্নে প্রেরণ করা হয়েছে বলে খবর। এরপর সরকার ফাইলের ওপর চোখ বুলিয়ে সবুজ সঙ্কেত দিলেই টাকা রিলিজ করা হবে বলে খবর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিধানসভা ভোটের আগেই হয়তো সকলের অ্যাকাউন্টে বকেয়া ডিএ-র টাকা ঢুকে যাবে। সম্প্রতি নবান্নে অর্থ দফতরের সঙ্গে একাধিক সরকারি দফতরের বৈঠকের পরই ধোঁয়াশা কাটতে শুরু করে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দাবি, বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত ফাইল অর্থ দফতরে পৌঁছে যাওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা প্রাপ্য ডিএ নিয়ে আশার সঙ্কেত দেখছেন।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে একটি যুগান্তকারী রায়ে সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে তার কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) ২৫ শতাংশ অবিলম্বে প্রদান করার নির্দেশ দেয় রাজ্যকে। ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া নিয়ে চলা এই বিবাদের ফলে বর্তমানে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) মধ্যে ৪০ শতাংশ ব্যবধান তৈরি হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই রায়ের ফলে আগামী দিনে আরও বহু কর্মী উপকৃত হবেন। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ডিএ পাওয়ার দাবিতে আন্দোলন চলছিল। এবার ডিএ মেটাতে রাজ্যের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে শিক্ষামহল।